মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে কটাক্ষকারী বিতর্কীত কবি রিক্তার হোসেনের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে সিরাজগঞ্জের বীর মুক্তিযোদ্ধারা। মঙ্গলবার দুপুরে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জেলা ইউনিট কার্যালয়ে আয়োজিত এক সমাবেশে এ দাবি জানান মুক্তিযোদ্ধারা।
জেলা ইউনিট কমান্ডার গাজী সফিকুল ইসলাম সফির সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন- চেম্বার প্রেসিডেন্ট জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবু ইউসুফ সূর্য্য, মোস্তফা কামাল খান, জাসদ নেতা কমরেড আব্দুল হাই তালুকদার, জেলা ইউনিটের ডেপুটি কমান্ডার গাজী আশরাফুল ইসলাম চৌধুরী, সদর উপজেলার ডেপুটি কমান্ডার আব্দুল মজিদ, শাহজাদপুর উপজেলার ডেপুটি কমান্ডার বিনয় কুমার পাল, সহকারী কমান্ডার আবুল কালাম আজাদ, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সদস্য সচিব মামুন-অর-রশিদ প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, সিরাজগঞ্জ ন্যাশনাল প্রি-ক্যাডেট ইন্সটিউটের অধ্যক্ষ রাজাকারপুত্র বিতর্কীত কবি রিক্তার হোসেনের সম্পাদনায় ‘স্বাধীনতা মৃত্যুশয্যায় শায়িত’ আলোচিত কবিতার বইয়ে লিখিত পংক্তিতে মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কটাক্ষ করা হয়। তার কবিতায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে আঘাত করা হয়েছে, যা সম্প্রতি আমরা লক্ষ্য করি। বিষয়টির তীব্র প্রতিবাদসহ সাংবাদিকদের মাধ্যমে আমরা তার দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তির জোর দাবি জানাচ্ছি। এমনকি, আলোচিত ও বিতর্কীত কবি রিক্তার হোসেন যেন আগামীতে জেলার শাহজাদপুরের স্মৃতি বিজরিত রবীন্দ্র কাছারী বাড়িতে ৩দিন ব্যাপী ‘কবি সন্মেলন’ করতে না পারেন, সেজন্য প্রশাসনের সর্বস্তরের সহযোগীতা কামনা করছি।
বক্তারা আরও বলেন, শহরের গোশালায় হাজী আহম্মেদ উচ্চ বিদ্যালয়ের নিজস্ব ভবনে তার ব্যাক্তিগত প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল প্রি-ক্যাডেট ইন্সিটিউটে শিশুদের পাঠদানের অন্তরালে সরকার, রাস্ট্র, ও স্বাধীনতা বিরোধী কোনও কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে কিনা, সেটিও খতিয়ে দেখতে প্রশাসনকে অনুরোধ করছি।
কবিতার বিষয়ে জানতে কবি রিক্তার হোসেনকে মঙ্গলবার দুপুরে তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে মোবাইলে তিনি বলেন, ‘আমি কবিতার মাধ্যমে কারও অনুভূতিতে আঘাত করিনি। এতবড় ধৃষ্টতাও আমার নেই। এটি একটি ভুল বোঝাবুঝি ছাড়া কিছু না। বিষয়টি নিয়ে দু’চারজন প্রতিষ্ঠিত কবি-সাহিত্যিক ও গুনিজনদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করার জন্য ঢাকায় এসেছি।’
/এসএনএইচ/








