শেরপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীদের সঙ্গে শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) বিকেলে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ডা. এ এম পারভেজ রহিম এতে সভাপতিত্ব করেন। এ সময় পুলিশ সুপার মো. রফিকুল হাসান গনি, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক ফরিদ আহম্মেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সালাউদ্দিন শিকদার, জেলা নির্বাচন অফিসার মো. মোকলেছুর রহমান, প্রতিদ্বন্দ্বী দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী চন্দন কুমার পাল ও হুমায়ুন কবির রুমানসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জেলা প্রশাসক ডা. এ এম পারভেজ রহিম জানান, বিভিন্ন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জেলার ১৫টি ভোট কেন্দ্রের সবকটিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ২৮ ডিসেম্বর নির্বাচনের দিন জেলায় তিন স্তরবিশিষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট ও স্ট্রাইকিং ফোর্স সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা বিধানে নিয়োজিত থাকবে। চেয়ারম্যান অথবা মেম্বার প্রার্থী কেউ পোলিং এজেন্ট হতে পারবেন না। ভোট কেন্দ্রে মোবাইল ও কলম নিয়ে ঢোকা যাবে না। ব্যালট পেপারে কোনও প্রকার দাগ থাকলে অথবা কাটা-ছেড়া থাকলে তা বাতিল বলে গন্য হবে।’
সভায় পুলিশ সুপার মো. রফিকুল হাসান গনি বলেন, ‘নির্বাচনী আইন মানা ভোটারসহ প্রার্থীদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। আশা করি, সংশ্লিষ্ট সবাই এদিকে নজর দেবেন।’
সভায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা তাদের বক্তব্যে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস দেন।
এপিএইচ/








