১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের এককোটি মানুষ শরণার্থী হয়ে ভারতে আশ্রয় নেয়। তখন ভারতের মানুষ নিজেদের অন্ন ভাগ করে শরণার্থীদের খাইয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।
শুক্রবার রাতে মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী উৎসব ও ব্যবসায়ী সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সম্মেলনের আয়োজন করে দি মৌলভীবাজার চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ।
শিল্পমন্ত্রী বলেন, ‘তৎকালীন ভারতের সরকার ও ভারতের জনগণ একাতত্বা প্রকাশ করে আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে সহায়তা ও সহযোগিতা করেছিল। তারা আমাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া থেকে শুরু করে অস্ত্র সরবরাহ করেছিলো। এমনকি তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দ্রিরা গান্ধী কুটনৈতিকভাবে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে এবং বঙ্গবন্ধুর জীবন রক্ষায় বিশ্ব সফর করেছিলেন এবং জনমত তৈরি করেছিলেন। আমাদের ত্রিশ লাখ শহীদের সঙ্গে ভারতের এগারশো সৈন্য জীবন দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সহায়তা করেছিলেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘মৌলভীবাজারের সম্ভাবনা। এই সম্ভাবনা কাজে লাগাবার জন্য আমাদের উদ্যোগ রয়েছে। কারণ পর্যটন অধ্যুষিত এ জেলা খুবই সম্ভাবনাময় একটি জেলা। আমি শিল্প মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে শ্রীমঙ্গলে বিসিকের পক্ষ থেকে ২১ একর জমি নিয়েছি। সেখানে পাঁচ হাজার লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে এবং সেখানে ১২২টি প্লট দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।’
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন-ভারতের ত্রিপুরার বাণিজ্য, শিক্ষা, শিল্প ও আইনমন্ত্রী শ্রী তপন চক্রবর্তী, পশ্চিমবঙ্গের সমবায়মন্ত্রী শ্রী অরূপ রায়, ইকোনোমিক জোনের চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী, পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান অপরূপ চৌধুরী, মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দা সায়রা মহসীন ও সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ এমপি প্রমুখ।
/এসএনএইচ/








