চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের কলেজ রোড এলাকার একটি বাসা থেকে উদ্ধার করা গ্রেনেড ও বোমা তৈরির সরঞ্জামগুলো ওই বাড়ির পাশের একটি মাঠে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে এসব গোলাবারুদ উদ্ধারের পর চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল ঘটনাস্থলে গিয়ে বোমাগুলো ওই বাড়ির পাশের একটি মাঠে নিয়ে গিয়ে বিস্ফোরণ ঘটায়।
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার (বন্দর) আসিফ মহিউদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ‘তার নেতৃত্বে বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট (বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল) ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই বাড়িটি থেকে ২৯টি অবিস্ফোরিত গ্রেনেড, ২৮০টি স্প্লিন্টার, ৪০টি বোমা তৈরির কাজে ব্যবহারযোগ্য জেল, ১১ কেজি বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেন। পরে এগুলো ওই বাড়ির পাশের একটি মাঠে নিয়ে গিয়ে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিষ্ক্রিয় করা হয়।’
তিনি জানান, ‘ওই বাড়িটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দেড়শ’ গজ দূরে অবস্থিত। বাড়িটির কাছেই একটি মাঠ পাওয়া যাওয়ায় এবং সেখানে আশেপাশে ঘনবসতি না থাকায় নিরাপত্তার সব দিক খেয়াল রেখে গ্রেনেড ও বোমা তৈরির সরঞ্জামগুলো নিষ্ক্রিয় করা হয়।’
এরমধ্যে তিনটি গ্রেনেড বড় আকৃতির ও ব্যাপক শক্তিসম্পন্ন ছিল বলেও জানান তিনি।’
সিএমপির বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের প্রধান আসিফ মহিউদ্দিন আরও জানান, নিষ্ক্রিয় করার পাশাপাশি মামলা ও তদন্তের স্বার্থে কিছু গোলাবারুদ তারা নিয়ম অনুযায়ী সংরক্ষণ করেছেন। বাকিগুলোর বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে।
এদিকে, চট্টগ্রাম মিরসরাই সার্কেলের সিনিয়র এএসপি মাহবুবুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মামলাটিতে ৮ থেকে ১০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হতে পারে। তদন্তের পর আসামিদের নাম মামলাটিতে যুক্ত করা হবে।
/টিএন/








