মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে উপজেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটিতে পদ পেয়েছেন এক বিবাহিত নেতা। ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বিবাহিতদের নেতৃত্বে আসার বিধান না থাকলেও আশিক চৌধুরী নাইমকে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদ দেওয়া হয়। ফলে এ নিয়ে ফেসবুকে প্রতিবাদ জানিয়েছেন নেতাকর্মীরা।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদ প্রত্যাশী শেখ নোমান গত ৭ মার্চ তার ফেসবুকে ওয়ালে বিবাহিত ওই ছাত্রলীগ নেতার বিয়ের একটি ছবি পোস্ট করেন। ছবির নিচে Shaif Khan নামে এক নেতা কমেন্ট করেছেন, ‘হায়রে ছাত্রলীগ ৬ বৎসর আংরার মতো জালাইছে। আর যাওয়ার সময় হাসপাতালের বিছানা দেখাইছে।’
Mohon Chowdhury নামে এক ব্যক্তি লিখেছেন, ‘যাচাই না করে কীভাবে তাকে পদ দেওয়া হলো।আমরা চাই, প্রাণের ছাত্রলীগের সুনামের ওপর যারা এভাবে কালো দাগ লাগিয়ে দিলো তাদের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির ভাইয়ের কাছে জবাব দিতে হবে।’
Akib Hasan নামে এক নেতা লিখেছেন, ‘এসব আবাংগালদের কারণে আমাদের প্রিয় সংগঠনের নাম খারাপ হয়।’
গত ৬ মার্চ বিবাহিত নেতাকে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করায় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদ প্রত্যাশী মো. ওমর ফারুক নোমান। অভিযোগের অনুলিপি পাঠানো হয় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ‘ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বিবাহিত কোনও ছাত্র সংগঠনের কোনও পর্যায়ের নেতৃত্বে আসার বিধান নেই। এই সংগঠনের নেতৃত্বে আসতে হলে সর্বোচ্চ বয়স ২৯ বছর এবং অবিবাহিত হতে হবে। এই দুটি কারণে আমি ছাত্রলীগের নতুন কমিটিতে পদ পায়নি। কিন্তু বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও নতুন কমিটিতে আশিক চৌধুরী নাইমকে সহ-সভাপতির পদ দেওয়া হয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’
অভিযোগ প্রসঙ্গে শ্রীমঙ্গল উপজেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আশিক চৌধুরী নাইম বলেন, ‘আমার পড়াশোনা এখনও শেষ হয়নি। বিয়ের একটি পানচিনি অনুষ্ঠান হয়েছে মাত্র। এখনও বিবাহ অনুষ্ঠান হয়নি। আমি প্রতিহিংসার শিকার। আমার মেধা, শিক্ষা, যোগ্যতা ও অতীত রাজনীতির কর্মকান্ড বিবেচনা রেখেই আমাকে উপজেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতিপদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’
এ বিষয়ে মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো.আসাদুজ্জামান রনি বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।’
/এসএনএইচ/








