চুয়াডাঙ্গার এক কিশোরীকে ভারতে নিয়ে ধর্ষণের পর ৩ লাখ টাকায় দিল্লীর এক পতিতালয়ে বিক্রির করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেছেন তার বাবা। কিশোরীকে গত বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) সন্ধ্যায় দিল্লীর এক পতিতালয় থেকে উদ্ধার করে বাড়িতে আনা হয়েছে বলে জানান তার বাবা। ওই রাতেই কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে প্রতিবেশী বুদ ও সহিদুলসহ চার জনের নাম উল্লেখ করে দামুড়হুদা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। জেলার দামুড়হুদা উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের ওই কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গত ৬ মার্চ ভোরে ভারতে পাচার করা হয়।
এ ব্যাপারে দামুড়হুদা থানার ওসি আবু জিহাদ জানান, এ নিয়ে থানায় মামলা হয়েছে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পেলে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মামলার বিবরণী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সীমান্তবর্তী চন্ডিপুর গ্রামের করিমন চালকের এক কিশোরী মেয়েকে প্রতিবেশী বুদ তার শ্যালক মাহাবুলের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। এর সূত্র ধরে বুদ ও সহিদুল প্রায়ই তার বাড়িতে আসা-যাওয়া করতো। এর এক পর্যায়ে বিয়ের মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে গত ৫ মার্চ সন্ধ্যায় উপজেলার ছোট বলদিয়া জিয়ার বাড়িতে নিয়ে যায়। পরের দিন ভোরে কিশোরীকে ভারতে পাচার করে কৃষ্ণনগর মেঘা নামে জনৈক ব্যক্তির বাড়িতে নিয়ে ৫ দিন ঘরের মধ্যে আটকে রেখে গণধর্ষণ করে বুদসহ কয়েক জন। সেখান থেকে গত ১২ মার্চ কিশোরীকে দিল্লীতে অজ্ঞাত ব্যক্তির বাড়িতে আটক রেখে পুনরায় গণধর্ষণের পর পাচারকারীরা দিল্লীর এক পতিতালয়ে ৩ লাখ টাকায় বিক্রি করে দেয়। সেখানে ১০ দিন অমানবিক জীবন কাটানোর পর পতিতালয়ের আসা জামাল নামে এক ব্যক্তির সহযোগীতায় কৌশলে সেখান বের হয়ে আসে। পরে জামালে সহযোগীতায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে আসে। ওই রাতেই কিশোরীর বাবা থানায় মামলা দায়ের করেন।
/জেবি/
আরও পড়তে পারেন: বগুড়ায় ওসির আত্মহত্যা: সাবেক স্ত্রী পাঁচ দিনের রিমান্ডে








