জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার বানদিঘী গ্রামের নির্যাতিত সেই মেয়ে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। রবিবার বিকেলে জয়পুরহাট অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই জবানবন্দি নেওয়া হয়। তবে তদন্তের স্বার্থে জবানবন্দিতে দেওয়া বক্তব্য জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেছে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কালাই থানার উপ-পরিদর্শক সাইদুর রহমান।
নির্যাতিত মেয়েটির পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পর রবিবার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রট আদালতে হাজির করা হয় ওই মেয়েটিকে। সেখানে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রট ইকবাল বাহারের আদালতে মেয়েটি ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে জবানবন্দি দেন।
উল্লেখ, গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর দিবাগত রাত দু’টার দিকে প্রাচীর টপকে নবম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে নির্যাতন করে তার মাথার বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। রাত চারটার দিকে তাকে বিবস্ত্র ও অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে বগুড়া ও পরে ঢাকার নিউরো সার্জারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দীর্ঘ দিন চিকিৎসা শেষে গত শনিবার মেয়েটি বাড়ি ফেরে। এ ঘটনায় ২৪ ডিসেম্বর মেয়েটির চাচা বাকিল উদ্দিন বাদি হয়ে কালাই থানায় ধর্ষণ ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগে অজ্ঞাতদের আসামি করে একটি মামলা দায়ের করলে পুলিশ বিভিন্ন সময় ৬ জনকে গ্রেফতার করে।
/এসএনএইচ/








