চাঁদা দিয়েও ঝালকাঠির সদর উপজেলার চাদপুরা গ্রামে পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। চাদপুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সদস্যদের অভিযোগ ২২৮ জন গ্রাহকের কাছ থেকে চাঁদা আাদায় নিলেও অনেক এলাকায় পিলার যায়নি। আর কোনও গ্রাহকই এখনও সংযোগ পাননি।
সমিতির সদস্যদের অভিযোগ চাদপুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ব্যানারে সমিতির নেতারা ও এলাকার ইলেকট্রিশিয়ান রাশেদ খান মিলনের মাধ্যমে জনপ্রতি সর্বনিম্ন ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়।
পিলার না পাওয়া সদস্যরা দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে গেছেন। এ বিরোধের জের ধরে এবং সংযোগের নামে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে লিখিত অভিযোগ জানান এলাকাবাসী।
চাদপুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সদস্য পলাশ ও আবদুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এ ঘটনায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত রবিবার চাদপুরা গ্রামে গিয়ে দায়সারা তদন্ত করে আসে তদন্ত কমিটি। এলাকায় গিয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ করে কমিটি। কিন্তু অভিযোগকারী বা সাক্ষীদের সঙ্গে কথা না বলে চলে যান তারা।’
তদন্ত কমিটিতে রয়েছেন ঝালকাঠি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম গনেশ চন্দ্র দাস, আবাসিক প্রকৌশলী অশোক কুমার দাস, সহ-প্রকৌশলী আবদুর রহমান।
তদন্ত কমিটি চাদপুরা গ্রামে যাওয়ার পর সাংবাদিকরা গিয়ে তদন্তের বিষয়ে জানতে চাইলে তারা কোনও বক্তব্য না দিয়ে অফিসে গিয়ে কথা বলার পরামর্শ দেন।
চাদপুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সদস্য ও ব্যবসায়ী আবুল কালাম খান ও শাহ আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সমিতির সভাপতি ইয়াকুব আলী মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক মন্নাফ, মালেক, বেল্লালসহ কমিটির সদস্যরা প্রতি সদস্যদের কাছ থেকে টাকা তুলে অফিসে জমা দিয়েছে। কারণ বিদ্যুৎ পেতে হলে তো অফিস খরচ আছে।’
এসব অভিযোগের ব্যাপারে কোনও কথা না বলে বিষয়টি এড়িয়ে যান ইলেকট্রিশিয়ান রাশেদ খান মিলন।
চাদপুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সভাপতি ইয়াকুব আলী মাস্টার বলেন, ‘টাকা কে নিছে? কারা নিছে? জানি না। তদন্ত কমিটি এলাকায় আসার খবরও জানি না।’
/এনআই/এসএনএইচ/








