বগুড়ায় কয়েকদিনের বর্ষণ ও উজান থেকে নামা ঢলে সারিয়াকান্দির যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। শুক্রবার (৭ জুলাই) সকালে পানি বেড়ে বিপদ সীমার ৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পাঁচটি ইউনিয়নের চরাঞ্চলসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। শতাধিক গ্রামে পানি প্রবেশ করায় অন্তত আড়াই হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। পানিবন্দিরা ঘর-বাড়ি ফেলে নিরাপদ আশ্রয় চলে যাচ্ছেন। নিচু এলাকার পাট, রোপা আমন ও শাক-সবজি তলিয়ে গিয়ে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সারিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান এ তথ্য জানান।
মো. মনিরুজ্জামান জানান, ‘যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় কর্ণিবাড়ি, বোহাইল, কুতুবপুর, কামালপুর ও চন্দনবাইশা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে পানি ঢুকেছে। এতে অন্তত আড়াই হাজার পরিবারের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। পানিবন্দিরা নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাচ্ছেন। বাঁধের নিচু এলাকায় বসবাসকারীদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।’
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রফিকুল আলম জানান, ‘এ পর্যন্ত ১৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে।’
মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল আমিন জানান, ‘চন্দনবাইশা ইউনিয়নের আবু আব্দুল্লাহ দাখিল মাদ্রাসা ও নিজাম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে পানি ঢুকেছে।’
বগুড়া জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গোপাল চন্দ্র জানান, ‘সারিয়াকান্দি উপজেলার আওচারপাড়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে পানি প্রবেশ করলেও পরীক্ষা স্বাভাবিকভাবে চলছে।’
স্থানীয় কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, বন্যার পানিতে নিম্নাঞ্চলের ৭৫০ হেক্টর পাট, ১৬৫ হেক্টর রোপা আমন ও ৮৫০ হেক্টর সবজি ক্ষেত তলিয়ে গেছে।
/এনআই/








