বাগেরহাটে ভৈরব নদীর ভাঙনে ঝুঁকির মধ্যে থাকা পুরাতন রূপসা-বাগেরহাট সড়কের সংস্কারের কাজে হাত দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি সদর উপজেলার যাত্রাপুরের মুচিঘাট এলাকায় সড়কটির অর্ধেকেরও বেশি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এ নিয়ে দেশের প্রথম সারির অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা ট্রিবিউনে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে সড়কটির কাজে হাত দেয় সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত সপ্তাহে নতুন করে এ সড়কের অনেক স্থানে ফাটল দেখা দেয়। সড়কের প্রায় অর্ধেক নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। ওই অবস্থায়ও বিকল্প কোনও পথ না থাকায় এ সড়কে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাত্রীবাহী মাহেন্দ্র, ইজিবাইক, মাইক্রোবাস, মালবাহী ট্রাকসহ শত শত যানবাহন চলাচল অব্যাহত থাকে। ওই সময় সড়কটি সচল রাখতে ও ঝুঁকি এড়াতে সাময়িক সমাধান হিসাবে ইটের সোলিং দিয়ে রাস্তা সম্প্রসারণ করে সড়ক বিভাগ।
তবে রবিবার (৯ জুলাই) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভাঙন থেকে বাঁচাতে এ সড়কের সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। এদিন শ্রমিকরা জানান, চলতি সপ্তাহের শেষদিকে ফাইলিংয়ের কাজ শেষ হবে। আর আগামী সপ্তাহে শেষ হবে মাটির কাজ।
এ সড়ক দিয়ে চলাচলকারী মাহিন্দ্রের চালক আফজাল উদ্দিন বলেন, ‘অনেকদিন ধরে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছিলাম। এখন ভাঙন রোধে কাজ করতে দেখে খুব ভাল লাগছে।’ তিনি ‘কাজ ভালভাবে করার জন্য’ কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খুশী মোহন সরকার বলেন, ‘সড়কের এ স্থান ও এর আশপাশের আরও কিছু স্থানে প্রবল স্রোতের কারণে ভাঙন দেখা দেয়। এ রাস্তা সড়ক ও জনপথ বিভাগের হওয়ায় এর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বও তাদের। তবু এলাকাবাসী ও জনপ্রতিনিধিদের দাবীর প্রেক্ষিতে পাইলিংয়ের কাজ শুরু করা হয়েছে। এবার পাইলিংয়ের ভেতর ড্রামের টিন দেওয়া হচ্ছে, যাতে মাটি সহজে ভেঙে না পড়তে পারে।’
/এমএ/








