বগুড়া শহরের মালতিনগরে ইনডিপেনডেন্ট মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম ও নবম শ্রেণির নিখোঁজ পাঁচ ছাত্রকে ঢাকার আশুলিয়া মডেল থানা পুলিশ পাশের আজমেরি প্লাজা থেকে উদ্ধার করেছে। গত রবিবার সন্ধ্যার দিকে তারা হোস্টেল থেকে পালিয়ে যায়। নিখোঁজের ১৭ ঘণ্টা পর সোমবার ( ১০ জুলাই) দুপুরে তাদের উদ্ধার করা হয়।
পাঁচ ছাত্র নিখোঁজের পর ওই প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী সদর থানায় জিডি করেন। তিনি জানান, এই ছাত্ররা লেখাপড়া না করে গার্মেন্টসে চাকরি করার জন্য ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে গিয়েছিল। বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সনাতন চক্রবর্তী জানান, প্রতিষ্ঠানের শাসন পছন্দ না হওয়ায় ছাত্ররা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
শিক্ষার্থীরা হলো-নবম শ্রেণির ছাত্র বগুড়ার শিবগঞ্জের বাড়ইপাড়ার হারুন উর রশীদের ছেলে মো. হুজাইফা, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের চাঁদপাড়ার ফরিদুল ইসলামের ছেলে ওমর ফারুক ও কুষ্টিয়ার কুমারখালীর কালিকাতলা গ্রামের মাসুদ রানার ছেলে তাওরাত ইসলাম তন্ময় এবং অষ্টম শ্রেণির ছাত্র বগুড়া শহরের মালগ্রাম দক্ষিণপাড়ার বরকতুল্লাহ প্রামাণিকের ছেলে আবদুর রউফ হৃদয় ও গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের সমসপাড়ার আজাদুল ইসলামের ছেলে আব্দুল্লাহ আল আলিফ।
অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী সদর থানায় দায়ের করা জিডিতে উল্লেখ করেন, রবিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে আবাসিক ছাত্র তন্ময়, আলিফ, হুযাইফা, ফারুক ও হৃদয় প্রতিদিনের মতো স্কুল গেটের সামনে মুদির দোকানে খাবার কিনতে যায়। এরপর তারা আর হোস্টেলে ফিরে আসেনি। সোমবার ( ১০ জুলাই) বিকালে তিনি জানান, আশুলিয়া মডেল থানা পুলিশ দুপুর ১টার দিকে পাঁচ ছাত্রকে উদ্ধার করেছে।অধ্যক্ষ দাবি করেন, ছাত্ররা লেখাপড়া না করে গার্মেন্টসে চাকরি করার জন্য ঢাকায় যাচ্ছিল।
তিনি তার প্রতিষ্ঠানে কঠোর শাসনের কথা অস্বীকার করেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী জানান, ইনডিপেনডেন্ট মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের কর্তৃপক্ষের অতিরিক্ত শাসন ও অবহেলার কারণে ছাত্ররা পালিয়ে যায়। তিনি বলেন, ‘তদন্ত করে এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
/এপিএইচ/
আরও পড়ুন:








