সাংবাদিক নির্যাতনের অভিযোগে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবির ৪৯ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক (সিও) লে. কর্নেল আরিফুল হকের অপসারণের দাবিতে যশোরে শনিবার মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছেন সাংবাদিকরা। শনিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
বেনাপোল সীমান্ত নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশের জের ধরে অনলাইন নিউজপোর্টাল বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কমের স্টাফ করেসপন্ডেন্ট আজিজুল হককে বিজিবি যশোরের অধিনায়ক (সিও) মারধর করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবাদেই এই মানববন্ধন ও সমাবেশ করেন স্থানীয় সাংবাদিকরা।
এসময় এ ঘটনার তদন্ত করে দোষীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান যশোর ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মনিরুজ্জামান, প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, সাবেক সভাপতি ফকির শওকত, যশোর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সাজেদ রহমান, সিনিয়র সাংবাদিক ফখরে আলম, সাংবাদিক নেতা সাইফুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
প্রসঙ্গত: বেনাপোল চেকপোস্টে বিজিবির দায়িত্ব পালনে শৈথিল্যের ওপর সচিত্র একটি স্টোরি করেন আজিজুল হক। এ কারণে গত শুক্রবার বিকেলে বেনাপোল বিজিবি ক্যাম্পে তাকে ডেকে নিয়ে যান লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফুল হক এবং কৈফিয়ত তলব করেন। সাংবাদিক আজিজুল হক তার কাছে ডকুমেন্ট আছে জানালেও তিনি তা দেখতে চাননি বরং তাকে মারধর এবং অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন।
বাংলানিউজের স্টাফ করেসপন্ডেন্ট উত্তম ঘোষ দাবি করেন, বিজিবির সিও সাংবাদিক আজিজুলের বুকে, পেটে, হাতে এবং পায়ে আঘাত করেছেন। শুক্রবার রাতেই তাকে একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ডাক্তাররা তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে শনিবার দুপুরে যোগাযোগ করা হয় ৪৯ বিজিবি অধিনায়ক লে.কর্নেল আরিফুল হকের সঙ্গে। তিনি বলেন, বেনাপোল সীমান্ত অরক্ষিত শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ করায় আমি তাকে ডেকেছিলাম। কিন্তু তিনি সংবাদটি সঠিক দাবি করেন এবং উগ্রতার পরিচয় দিচ্ছিলেন। কোনও যুক্তিই মানতে চাননি। সেইসময় আমিও একটু উত্তেজিত হই। কিন্তু কোনও মারধর করা হয়নি।
/টিএন/








