এক স্কুলছাত্রী নিখোঁজের এক মাস পর জানা গেল তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ এ ঘটনায় আদমপুর ইউনিয়নের মাটিয়া মসজিদ এলাকার মাওলানা আলিম উদ্দীনের ছেলে দেলওয়ার হোসেনকে (৩২) গ্রেফতার করেছে। দেলওয়ার হোসেন পুলিশের কাছে ওই মেয়েটিকে ধর্ষণ, হত্যা ও লাশ নদীতে ফেলে দেওয়ার কথা স্বীকার করেছে বলে কমলগঞ্জ থানার ওসি বদরুল হাসান বাংলা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা শুক্রবার (১১ আগস্ট) কমলগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন।’
স্কুলছাত্রী নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরির সূত্র ধরে মুঠোফোনের কললিস্ট নীরিক্ষা করে বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) রাতে পুলিশ দেলওয়ার হোসেনকে গ্রেফতার করেছে বলে ওসি জানান।
ওসি বদরুল হাসান বলেন, ‘ইসলামপুর ইউনিয়নের ওই মেয়েটির সঙ্গে মুঠোফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেছিল দেলওয়ার হোসেন। ১২ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার পর থেকে সে নিখোঁজ ছিল। তার স্বজনরা প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও সন্ধান পায়নি। ২৪ জুলাই একটি মুঠোফোন নম্বরের ওপর সন্দেহ করে কমলগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন তারা। ওই মুঠোফোন নম্বরের কল লিস্টের সূত্র ধরে ফোনের মালিক দেলওয়ার হোসেনকে কমলগঞ্জ থানা পুলিশ গ্রেফতার করে। থানায় এনে দেলওয়ারকে জিজ্ঞাসাবাদের পর সে জানিয়েছে—মেয়েটিকে বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে তার একটি আস্তানায় রেখেছিল। ১৫/২০ দিন আগে তাকে হত্যা করে আবার ধলাই নদীতে ফেলে দিয়েছে।’
স্থানীয়রা জানান, গত ১৫/২০ দিন আগে কমলগঞ্জ পৌরসভার রামপাশা গ্রাম এলাকায় ধলাই নদীতে একটি মেয়ের লাশ ভাসতে দেখেন গ্রামবাসী। কমলগঞ্জ থানাকে অবহিত করলেও নদীতে লাশ খোঁজার কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। সেই লাশটি হয়তো ওই মেয়েটিরই ছিল।
/এনআই/
আরও পড়ুন:








