প্রেমের টানে টাঙ্গাইলে আসা মালয়েশীয় তরুণী জুলিজা বিনতে কামিস স্বামী মনিরুল ইসলামকে নিয়ে আত্মগোপন করেছেন। জুলিজার পূর্বের স্বামী ও সন্তান থাকার খবর ফাঁস হওয়ার পর তারা আত্মগোপনে যান। শনিবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে মনিরুলের বাড়িতে সরেজমিন গিয়ে এর সত্যতা পাওয়া গেছে।
মনিরুলের বাবা ঈমান আলী বলেন, ‘মনিরুল বউমাকে নিয়ে সকাল থেকে কোথায় আছে বলতে পারিনা। তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে।’
মনিরুলের মামা সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘মনিরুল তার বউকে নিয়ে সকালে বাসা থেকে ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশে বের হয়। তার পর থেকে তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে।’
জুলিজা বিনতে কামিসের আগের স্বামী মো. আজগর আলী মোবাইল ফোনে বলেন, ‘মনিরুলের সঙ্গে জুলিজার বিয়ের খবর আমার নজরে আসে। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চার সন্তানসহ আমাদের পারিবারিক একটি গ্রুপ ছবি ও কাবিননামাসহ বিস্তারিত তথ্য দেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘১৯৯৬ সালে মালেশিয়া যাই। সেখানেই পরিচয় হয় জুলিজার সঙ্গে। ২০০৮ সালে ৫০ হাজার টাকা দেনমোহরে বিয়ে হয় আমাদের। চারটি সন্তানও রয়েছে।’
আজগর আলীর বাড়ি ঢাকার ঝিগাতলায়।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকছুদুল আলম বলেন, ‘এ বিষয়টি আমার জানা নেই।’
মনিরুলের স্বজনরা জানান, ছয় মাস আগে মালয়েশীয় তরুণী জুলিজা বিনতে কামিসের সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয় মনিরুলের (১৭)। প্রেমের টানে ২৫ আগস্ট সকালে মালয়েশিয়া থেকে ওই তরুণী মনিরুলের কাছে সখীপুরে চলে আসেন। শুক্রবার রাতে মনিরুলের মামার বাসায় তাদের বিয়ে পড়ানো হয়।
আরও পড়ুন:








