নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে প্রভাব বিস্তার ও ক্যাবল নেটওয়ার্ক ব্যবসার দখল নিয়ে ব্যবসায়ীসহ তার কর্মচারীকে পিটিয়ে আহত করেছে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এমনটাই অভিযোগ ওই ব্যবসায়ীর বাবার। রবিবার (২৭ আগস্ট) সকালে উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের বস্তল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে সোনারগাঁও থানার ওসি মো. মোরশেদ আলম পিপিএম বলেন, অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আহতদের উদ্ধার করে সোনারগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় নেটওয়ার্ক ক্যাবল ব্যবসায়ীর বাবা মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হক ভূঁইয়া বাদী হয়ে চার জনের নামে ও বেনামে ৮-১০ জনকে আসামি করে সোনারগাঁও থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
মামলার নথিতে সিরাজুল হক বলেন, তার ছেলে সাখাওয়াত হোসেন রকি দীর্ঘ এক বছর ধরে জামপুর ও নোয়াগাঁও ইউনিয়নের প্রায় ২০টি গ্রামে ক্যাবলের মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগ দিয়ে ব্যবসা করে আসছেন। স্থানীয় ইউনিয়ন যুবলীগের নামধারী নেতা আল আমিন ওরফে ডিস আল আমিন এলাকায় ডিসের ব্যবসা করে থাকেন। ফলে উভয়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। এ কারণে রকির কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন আল আমিন। এ চাঁদা পরিশোধ করে এলাকায় ইন্টার নেটের ব্যবসা পরিচালনার হুমকি দেয়।
রবিবার সকালে রকি বস্তল এলাকায় তার কর্মচারি রিয়াদ, সাজন ও মোবারকে নিয়ে ইন্টারনেট সংযোগ দিতে গেলে বাধা দেয় আল আমিন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক শুরু হয়। এক পর্যায়ে জামপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুর নূরের নেতৃত্বে যুবলীগ নামধারী আল আমিন ওরফে ডিস আল আমিন, গোলজার ও আলমগীরসহ ৮-১০জনের একটি দল লাঠিসোটা, রড, হকিস্টিক নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় রকিসহ ৩ জন আহত হন। ঘটনার পর ৫টি মোবাইল সেট এবং এক ড্রাম ইন্টারনেটের তার ছিনিয়ে নেয় আক্রমণকারীরা।
এ ব্যাপারে জামপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুর নূর বলেন, ডিসের ব্যবসার সঙ্গে আমি জড়িত না। এ ব্যবসায় এরিয়া ভাগ করা থাকে। আল আমিনের এরিয়াতে ঢুকে রকি তার ব্যবসা নষ্ট করায় তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।








