ঈদের পরের দিন রবিবারও সারাদিনব্যাপী শিমুলিয়া ঘাটে পদ্মা নদী পার হওয়ার অপেক্ষায় কমপক্ষে পাঁচশ যানবাহন অপেক্ষা করছে। দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার শিমুলিয়া ঘাটে নানা অব্যবস্থাপনার কারণে ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের ভোগান্তি ছিল চরমে। ঈদের আগের দিন কমপক্ষে হাজারখানেক গাড়ি শিমুলিয়া থেকে ঢাকা অভিমুখে ফিরে যায়। অনেককে ঘাটেই ঈদ করতে হয়। আজ ঈদের পরের দিন রবিবারও ফেরি পারাপার স্বাভাবিক হয়নি।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডাব্লিউটিসি) এর শিমুলিয়ার এজিএম শাহ মো. খালেদ নেওয়াজ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘নাব্যতা সংকটে ১৯টি ফেরি চলাচল করতে পারছে না। ডাম্প, কে-টাইপ এর মতো ১৩ টি ফেরি চলছে। তবে, রো রো ফেরি ছাড়া এই ঘাটে স্বাভাবিক পারাপার সম্ভব নয়। তাই যাত্রীদের ভোগান্তি হচ্ছে।’
এদিকে শিমুলিয়া ঘাটে ফেরি পারাপারের জন্য অপেক্ষারত যাত্রী ও চালকরা অভিযোগ করেন, নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার কারণে যাত্রীদের ভোগান্তি বেশি হয়েছে। এখনও হচ্ছে। ৩ নম্বর ভিআইপি ঘাটে অপেক্ষারত প্রাইভেট কার চালক মামুন বলেন, ‘সকাল ১০ টায় ঘাটে এসেছি। কিন্তু ফেরিতে উঠতে পারিনি। এরমধ্যে ঘাটে যারা পরে এসেছে তাদেরকে আগে ফেরিতে তোলা হয়েছে। ঘাট ব্যবস্থাপনা দুর্বল। গাড়ি চালকরা ৩ নম্বর ভিআইপি ঘাটে এলেমেলোভাবে গাড়ি রেখে পল্টুনের মুখ বন্ধ করে রেখেছে। এসব দেখার জন্য কর্তৃপক্ষের কোন লোককে দেখছি না।’
এসব বিষয়ে এজিএম শাহ মো. খালেদ নেওয়াজ বলেন, ‘ঈদের সময় প্রচুর যানবাহনের চাপ হয়। তারমধ্যে অপ্রত্যাশিতভাবে রো রো ফেরি বন্ধ হওয়ার কারণে ঘাটে কিছুটা অব্যবস্থাপনা দেখা দিয়েছে।’
সহকারী পুলিশ সুপার (শ্রীনগর সার্কেল) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ঘাটে শৃংখলা রক্ষার দায়িত্বে আমাদের ৩০ জন সদস্য রয়েছে।’








