মামলা-হামলা-খুন-গুম-ধর্ষণ আর লুটপাটে আওয়ামী লীগ সরকার নৃশংসতার চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, ‘তাদের পতন ছাড়া দেশ ও জাতির মুক্তি নেই। আওয়ামী লীগ গায়ের জোরে ক্ষমতা দখলে রেখেছে। অন্যথায় পালানো ছাড়া তাদের সামনে আর কোনও পথ খোলা নেই।’
শুক্রবার বিকালে খুলনা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১০ম কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে খুলনা জেলা বিএনপি এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।
আওয়ামী লীগ নেতাদের সমালোচনার জবাবে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘বিএনপিই আন্দোলনমুখী রাজনৈতিক দল। এই দলটি বারবার আন্দোলন ও নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ভোটে ক্ষমতায় গেছে। বরং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের আন্দোলন করার কোনও ইতিহাস নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘পুলিশকে বাদ দিয়ে দেশের কোথাও আওয়ামী লীগ আমাদেরকে প্রতিহত করার সক্ষমতা রাখে না। এ জন্যই বিএনপিকে তাদের যতো ভয়।’
ওয়ান-ইলেভেনের পরিস্থিতি তুলে ধরে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘সব রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা কারাগারে ছিলেন। তখনও কারাগারে বসে তারেক রহমান দেশ ও জনগণ সম্পর্কে ইতিবাচক চিন্তাভাবনা করতেন। তার ভেতরে ছিল প্রবল দেশাত্মবোধ। বিদেশে টাকা পাচার করতে হবে, ইহুদি-খ্রিস্টান মেয়েকে বিয়ে করতে হবে, দেশের সম্পদ লুটপাট করতে হবে এমন চিন্তা তার ভেতরে কাজ করতো না।’
তিনি বলেন, ‘ফখরুদ্দিন-মইনুদ্দিনের তৈরি করা সরকার এখন রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে বসে আছে। কিন্ত তাদের মেয়াদ আর বেশিদিন নেই। তারেক রহমান যেদিন দেশে ফিরে আসবেন সেদিন দেশে গণসমুদ্র সৃষ্টি হবে বলে।’
খুলনা জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট এসএম শফিকুল আলম মনা সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন- সংগঠনের নির্বাহী কমিটির সদস্য সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, সৈয়দা নার্গিস আলী, শেখ মুজিবর রহমান, জিএম কামরুজ্জামান টুকু, আশরাফুল আলম নান্নু, জেলা সহ সভাপতি ডা. গাজী আব্দুল হক, নগর বিএনপি নেতা শফিকুল আলম তুহিন, জেলা সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান মন্টু, জেলা সহ-সভাপতি খান আলী মুনসুর, জেলা যুগ্ম সম্পাদক আবু হোসেন বাবু, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মোল্লা মোশারফ হোসেন মফিজ, কয়রা উপজেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট মোমরেজুল ইসলাম, পাইকগাছা থানা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. আব্দুল মজিদ, বটিয়াঘাটা উপজেলা সভাপতি খায়রুল ইসলাম জনি, নগর মহিলা দল সভাপতি রেহানা আক্তার, জেলা মহিলা দল সভাপতি অ্যাডভোকেট তছলিমা খাতুন ছন্দা, জেলা শ্রমিক দল সভাপতি উজ্জল কুমার সাহা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক তৈয়েবুর রহমান, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ইবাদুল হক রুবায়েদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান রনু, জেলা ছাত্রদল সভাপতি আব্দুল মান্নান মিস্ত্রি, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা তুহিন, জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক খান ইসমাইল হোসেন, জেলা কৃষক দলের সভাপতি মো. কবির হোসেন প্রমুখ।








