গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার জামলারজান-ঠুটিয়াপুকুর সড়ক পাকা করার কাজে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণকাজে নিম্নমানের ইট ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া বালুর পরিবর্তে ব্যবহার করা হচ্ছে মাটি।
স্থানীয়রা জানান, জামলারজান-ঠুটিয়াপুকুর পর্যন্ত প্রায় ছয় কিলোমিটার কাঁচা সড়ক পাকাকরণের উদ্যোগ নেয় এলজিইডি। টেন্ডারের মাধ্যমে এ কাজের দায়িত্ব পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা অ্যান্ড মনি এন্টারপ্রাইজ। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এ কাজ বিক্রি করে দেয় খোর্দ্দকোমরপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নজলার রহমান নজেলের কাছে। এরপর থেকে নজলার রহমান নজেল প্রভাব খাটিয়ে নির্মাণ কাজে নিন্মমানের ইট ও বালুর পরিবির্তে মাটি ব্যবহার করে আসছেন।
এলজিইডি সাদুল্যাপুর উপজেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৬ কিলোমিটারের সড়কটি পাকাকরণে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে চার কোটি ২৮ লাখ টাকা। আগামী ২৪ অক্টোবর কাজ শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু গত এক বছরে মাত্র দুই কিলোমিটার সড়ক পাকা হয়েছে।
ইদিলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাব্বী আবদুল্লাহ রিয়ন বলেন, ‘নিম্নমানের ইট ব্যবহার করায় কিছুদিন আগে এলাকাবাসীর অভিযোগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ বন্ধ রাখে। এসময় স্থানীয়দের ভালো ইট ব্যবহারের আশ্বাস দিয়ে কাজ শুরু করেন নজলার রহমান নজেল। কিন্তু এখন আবার সেই নিম্নমানের ইট-ই ব্যবহার করা হচ্ছে।’
সরেজমিনে গিয়ে নিম্নমানের ইট ও বালুর পরিবর্তে মাটি ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেলেও নির্মাণ কাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা (ওয়ার্ক অ্যাসিসটেন্ট) এলজিইডি সাদুল্যাপুর উপজেলা কার্যালয়ের প্রকৌশলী শাহজাহান দাবি করেন, ‘কোনও অনিয়ম হচ্ছে না।’
নিম্নমানের ইটের খোয়া দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে ঠিকাদার নজলার রহমান নজেলও দাবি করেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী কাজ হচ্ছে।’
এলজিইডি সাদুল্যাপুর উপজেলা কার্যালয়ের প্রকৌশলী মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘অভিযোগ খতিয়ে দেখে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’








