বগুড়ার সারিয়াকান্দির কুতুবপুর ইউনিয়নের মাছিরপাড়া গ্রামে বাঙালি নদীর ওপর ৩১৫ মিটার দীর্ঘ সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। শিগগিরই সেতুটির উদ্বোধন হবে এমন খবরে এলাকাবাসীর মাঝে আনন্দের জোয়ার বইছে।
সারিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘আগামী ডিসেম্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হসিনা বগুড়ার ঐতিহাসিক মহাস্থানগড়ে আসার কথা রয়েছে। আশা করা হচ্ছে, সেখান থেকে তিনি সেতুটি উদ্বোধন করবেন। তখন সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে।’
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের সূত্র ও এলাকাবাসীরা জানান, জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে বগুড়া-১ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল মান্নানের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় মাছিরপাড়া এলাকায় বাঙালি নদীর ওপর সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০১৪ সালের মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে নির্মাণ কাজ শুরু হয়। শেষ হয়েছে চলতি বছরের জুলাই মাসে। ইউনিয়নের সঙ্গে উপজেলা সদরের সংযোগ সড়কে লার্জ ব্রিজ কন্সট্রাকশন প্রকল্পের আওতায় সেতুটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ২৭ কোটি ৯৬ লাখ ৮০ হাজার ৯৯২ টাকা। ৩১৫ মিটার দীর্ঘ ও ৭.৩০ মিটার প্রস্থ সেতুতে মোট ৯টি স্প্যান রয়েছে। প্রতিটি স্প্যানের দৈর্ঘ্য ৩৫ মিটার। এটি বগুড়া জেলার সবচেয়ে বড় সেতু।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর বগুড়ার নির্বাহী প্রকৌশলী নাঈম উদ্দিন মিয়া, সারিয়াকান্দি উপজেলা প্রকৌশলী শাহ মো. শহিদুল হক ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আসাফুদ্দৌলা সেতুর নির্মাণ কাজের তদারকি করেন। সেতুটি খুলে দেওয়া হলে সারিয়াকান্দি উপজেলার বোহাইল, কামালপুর, কুতুবপুর, কর্নিবাড়ী, ভেলাবাড়ী ও ফুলবাড়ী ইউনিয়নের অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ চলাচলের সুযোগ পাবেন। এছাড়া কৃষকরা স্বল্প সময় ও খরচে উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন স্থানে তাদের উৎপাদিত ফসল নিতে পারবেন।
স্থানীয় রুবেল মিয়া, জাহিদুল ইসলাম, সরাফত আলী প্রমুখ বলেন, মাছিরপাড়া এলাকায় বাঙালি নদীতে আগে খেয়া ঘাট ছিল। তাদের নৌকা দিয়ে নদী পারাপার হতে হতো। এখন সেতু খুলে দিলে তাদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের শেষ হবে








