মানিকগঞ্জের পদ্মা-যমুনা নদীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরার অভিযোগে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৭ জন জেলেকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মোট সাড়ে ৩৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। দুই উপজেলায় মোট ২ লাখ ১০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করে তা পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। এছাড়া যমুনা নদী এলাকা থেকে ৭০ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নুরতাজুল হক ও শিবালয় সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. রফিকুল আলম জানান, পদ্মা-যমুনা নদীতে সরকারি নিষেধ অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরার অপরাধে ৫৪ জন জেলেকে আটক করা হয়। পরে শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কামাল মোহাম্মদ রাশেদ তার কার্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ৫৩ জনকে সাড়ে তিন হাজার টাকা ও একজনকে বিশেষ বিবেচনায় ১ হাজার টাকা অর্থ জরিমানা করে ছেড়ে দেওয়া হয়। এছাড়া ২ লাখ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে দৌলতপুর উপজেলার যমুনা নদী থেকে ১৩ জন জেলেকে আটক করে নিয়ে আসলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কানিজ ফাতেমা তাদেরকে বিভিন্ন অংকের অর্থ জরিমানা করেন।
উপেজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তসলিমা খাতুন জানান, আটক জেলেদের মধ্যে আয়ুব আলী, পলাশ মিয়া, নাজমুল হাসান, শাহ আলম, ওমর আলী, জাকির হোসেন ও শামীম আহমেদকে ২ হাজার টাকা করে; আখের আলী, লতা মিয়া ও সবুজকে ৫ হাজার টাকা এবং সোহেল মিয়া, আব্দুল কাদের ও ওহাব আলীকে ১ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। আটকদের কাছ থেকে ১০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ৭০ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়। পরে এসব মাছ স্থানীয় দুস্থ ও এতিমদের মাঝে বিতরণ করা হয়।








