‘নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই যমুনায় ইলিশ ধরা চলছে’ শিরোনামে বাংলা ট্রিবিউনে প্রতিবেদন প্রকাশের পর যমুনায় মা ইলিশ রক্ষায় তৎপরতা বেড়েছে। মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়।এরপরই সিরাজগঞ্জ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনসহ স্থানীয় মৎস্য বিভাগ নড়েচড়ে বসে।
বুধবার (১১ অক্টোবর) নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যমুনা নদীতে ইলিশ ধরার অপরাধে সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার সাত জেলেকে জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনিসুর রহমান এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এর আগে মঙ্গলবার রাতভর ইলিশ রক্ষা টাস্কফোর্স কমিটির উদ্যোগে যমুনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান চালিয়ে ওই সাত জেলেকে আটক করা হয়। ওই সময় তাদের কাছ থেকে জব্দ করা হয় ১৬ হাজার মিটার জাল ও চার মণ ইলিশ। জালগুলো পরে পুড়িয়ে ফেলা হয়।
অর্থদণ্ডিত জেলেরা হলেন সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার বোয়ালকান্দি এলাকার আব্দুর রাজ্জাক (২০), আজাদ (২০), স্থল চরের শুকুর আলী (২২), শফিকুল ইসলাম (৪০), মণ্ডলভোগ গ্রামের সোনাউল্লাহ মিয়া (৫০), টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার মারমা গ্রামের নাসির উদ্দিন (২৫) ও খাস শাহাজানী এলাকার বুদ্দু মিয়া (৪৫)।
চৌহালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাদেকুর রহমান জানান, ইলিশের ভরা প্রজনন মৌসুম হওয়ায় ১ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ। এ সময়ে ইলিশ রক্ষা টাস্কফোর্স কমিটির অভিযান অব্যাহত থাকবে।
জেলা প্রশাসক কামরুন নাহার সিদ্দীকা জানান, জব্দ ইলিশ স্থানীয় মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার সকালে ১৪০ কেজি (৫শ’ পিস) ইলিশ জেলা কারাগারের কয়েদিদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। কারা তত্ত্বাবধায়ক আল মামুন বিকালে ইলিশ প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।








