দশ বছরে পদার্পণ করল উত্তরাঞ্চলের অন্যতম উচ্চ বিদ্যাপীঠ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়। বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৯টায় জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মহিয়সী বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। পরে উপস্থিতিদের উদ্দেশে শুভেচ্ছাবাণী পাঠ করার পর বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে দিবসের কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ।
নবম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটার পর বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি ক্যাম্পাস থেকে শুরু হয়ে পার্ক মোড় হয়ে রংপুর শহরের মডার্ন মোড় ঘুরে আবার ক্যাম্পাসে এসে শেষ হয়। এসময় বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে বর্ণিল সাজে শোভাযাত্রাকে মাতিয়ে তোলেন।
এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী চলে একাডেমিক ফেয়ার। মেলায় ২০টির মতো স্টলে বিভিন্ন বিভাগ এবং গুরুত্বপূর্ণ দফতরগুলো তাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরে। এরপর দুপুর ১২টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং দুপুর দেড়টায় কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, ‘অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে নারী জাগরণের অগ্রদূতের নামে প্রতিষ্ঠিত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় দশ বছরে পদার্পণ করলো। সময়ের ব্যবধানে বিশ্ববিদ্যালয়টি সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও সামনে এগিয়ে নেওয়ার জন্য আমরা বদ্ধপরিকর। আমরা কিছুতেই আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন থেকে পিছপা হতে চাই না।’
২০০৮ সালের ১২ অক্টোবর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০৮-০৯ শিক্ষাবর্ষে তিনটি অনুষদের অধীনে ৬টি বিভাগ নিয়ে যাত্রা শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়টি। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬টি অনুষদের অধীনে ২১টি বিভাগে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছেন।








