মাগুরায় এক নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। আর নবজাতকের মা লাবনী খাতুন (২২) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অভিযোগ উঠেছে হাতুড়ে ডাক্তার দিয়ে নবজাতক সন্তানকে মেরে ফেলা হয়েছে। পরে নবজাতকের মাকেও হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। যৌতুকের টাকা না পেয়ে লাবনী খাতুনের স্বামী রাজু কৌশলে ক্লিনিকে এ ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে লাবনীর পরিবার দাবি করেছে।
রাজু শ্রীপুর উপজেলার খামারপাড়া রামনগর গ্রামের মানিক খানের ছেলে।
লাবনীর ভাই অরিফ হোসেন অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকেই রাজুসহ তার পরিবারের সদস্যরা যৌতুকের দাবিতে লাবনীকে নির্যাতন করছিল। বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) রাতে লাবনীর প্রসব বেদনা উঠলে তাকে শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) সকালে শ্রীপুরের সততা ক্লিনিকে নিয়ে যান তারা। সেখানেই নবজাতককে হত্যা করা হয়। পরে তাদেরকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে লাবনীকে মাগুরা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মমতাজ মজিদ নবজাতকটিকে মৃত ঘোষণা করেন। লাবনীর অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
অভিযুক্ত পল্লি চিকিৎসক সততা ক্লিনিকের মালিক মোহন মিয়া জানান, তিনি ডেলিভারি করেছেন। তবে হত্যার অভিযোগ সত্য নয়।
মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম জানান, পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। নবজাতকের ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন।








