সরকারের দেওয়া সময়সীমার মধ্যেই কুষ্টিয়া জেলায় সব চাল ব্যবসায়ী লাইসেন্সের আওতায় চলে আসবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ইতোমধ্যে প্রায় এক হাজার ব্যবসায়ী লাইসেন্সের আওতায় এসেছেন। আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে খাদ্য অধিদফতর থেকে চাল ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স নেওয়ার জন্য পর্যন্ত চূড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে সরকার। সেই অনুযায়ী চলছে নিবন্ধন।
কুষ্টিয়া জেলা চালকল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন প্রধান জানান, সরকারের এমন সিদ্ধান্ত ইতিবাচক। আমাদের কুষ্টিয়ায় বিপুল পরিমাণ চালকল রয়েছে। ব্যবসায়ীর সংখ্যাও অনেক। সবাই লাইসেন্সের আওতায় আসলে চালের সঠিক হিসেব সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
কুষ্টিয়া শহরের পৌরবাজারে পাইকার ব্যবসায়ী আকবর আলী জানান, বহু আগে আমাদের নির্দেশনা দেয়া ছিল চালের সঠিক মজুদের হিসেব খাদ্য বিভাগকে অবহিত করার। কিন্তু বর্তমানে তা হয়না। সম্প্রতি খাদ্য বিভাগ থেকে আমাদের হাতে চিঠি এসেছে।
লাইসেন্সের আওতায় আসলে চালের সঠিক হিসেবটাও তারা পাবে। বিষয়টি ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন ব্যবসায়ীরা। একই বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী বাবুল আজাদ জানান, ‘এবিষয়ে একটি চিঠি পেয়েছি। যেহেতু আগামী ৩০অক্টোবর পর্যন্ত সময় রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে তিনি লাইসেন্স করে নেব।’
কুষ্টিয়া সচেতন নাগরিক কমিটির আহবায়ক রফিকুল আলম টুকু সরকারের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, এর ফলে চালের মজুদের পরিমাণ সম্পর্কে সুস্পষ্ট তথ্য থাকবে সরকারের কাছে। তবে বিষয়েটি নিয়মিত নজরদারিতে রাখারও আহ্বান জানান তিনি।
কুষ্টিয়া জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ তানভীর রহমান জানান, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা বাস্তবায়নে এরই মধ্যে মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করা হয়েছে। তিনি বলেন, কুষ্টিয়ার সকল উপজেলা ব্যবসায়ী সমিতির নেতাদের হাতে চিঠি তুলে দেয়া হয়েছে । প্রাথমিক পর্যায়ে সকলের কাছ থেকে যথেষ্ট সাড়াও পাওয়া যাচ্ছে। এরই মধ্যে প্রায় এক হাজার ব্যবসায়ী লাইসেন্সের আওতায় এসেছেন।
নির্ধারিত সময়েই প্রত্যেকে এই লাইসেন্সের আওতায় আসবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘লাইসেন্সের আওতায় আসলে ধান কিংবা চালের সঠিক মজুদের পরিমাণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। কেউ অবৈধ মজুত করলে তা ধরা সম্ভব হবে।’








