নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে দুই দফা সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। রবিবার (২৯ অক্টোবর) বিকাল ও রাতে উপজেলার চনপাড়া এলাকায় এ সংঘর্ষ হয়। এসময় বেশ কিছু বাড়িঘরও ভাঙচুর করা হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ শতাধিক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে। রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, রবিবার (২৯ অক্টোবর) বিকালে উপজেলার কায়েতপাড়া পূর্বগ্রাম বাজারে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহেদ আলীর অফিসে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। ওই সভায় স্থানীয় যুবলীগ নেতা আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে যুবলীগ নেতা স্বপনের কাথা কাটাকাটি হয়। এসময় স্বপন আনোয়ার হোসেনকে থাপ্পড় দেন। এতে আনোয়ার হোসেন ক্ষুব্ধ হয়ে স্বপনকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়েন। কিন্তু গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। পরে আনোয়ার হোসেন ও তার পক্ষের লোকজন মিলে স্বপন ও তার সহযোগী শাহাজাহানসহ বেশ কয়েক জনকে মারধর করেন। মারাত্মক আহত অবস্থায় স্বপনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
সূত্র আরও জানায়, এ ঘটনার জের ধরে রাতে স্বপনের পক্ষ নিয়ে কায়েতপাড়া ইউনিয়নের (চনপাড়া পূর্নবাসন কেন্দ্র এলাকার ) ৮নং ওয়ার্ডের সদস্য বিউটি বেগম কুট্রি ও তার লোকজন আনোয়ার হোসেন ও তার পক্ষের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এসময় দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
কায়তপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহেদ আলী জানান, বিকালে তার অফিসে কোনও সংঘর্ষ হয়নি। আনোয়ার ও স্বপন তার অফিসে আসার আগে কায়েতপাড়া মুক্তিযোদ্ধা অফিসের সামনে একে-অপরের ওপর হামলা করে।
ওসি ইসমাইল হোসেন জানান, দুই দফা সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩০ জনের মতো আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ শতাধিক রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে।








