যশোরের শার্শায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় শার্শা থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। রবিবার শার্শা থানার এসআই বক্তিয়ার বাদী হয়ে ২৩ জনকে আসামি করে একটি এবং মাদক আইনে একজনকে আসামি করে অপর মামলা দায়ের করেন।
জানা গেছে, ঘটনার দিন (শুক্রবার) রাতে এ ঘটনায় পাঁচ জনকে আটক করলেও ঘটনার সঙ্গে জড়িত না থাকায় দুইজনকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। তবে ঘটনার মূল হোতা মাদক সম্রাট দুখে এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন। আটক ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মোজাম গাজী, জসিমের স্ত্রী ইসমত আরা ও মফিজ উদ্দিনের ছেলে চঞ্চলকে পুলিশ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠিয়েছে।
আহত পুলিশের এএসআই আলাউদ্দিন এখনও শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে এ ঘটনায় জামতলার টেংরা গ্রামের মাদ্রাসা পাড়া এখন পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা সবাই মাদক ব্যবসায়ী।
শার্শা থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার রাতে ফেনসিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী দুখেকে আটক করেন শার্শা থানার এএসআই আলাউদ্দিন ও এএসআই কামারুজ্জামান। এ খবর শুনে অন্য মাদক ব্যবসায়ী ও স্বজনেরা পুলিশের ওপর হামলা করে। এতে এএসআই আলাউদ্দিন ও কামারুজ্জামান আহত হন। এ সময় আসামি দুখে পুলিশের অস্ত্র ও হ্যান্ডকাফ নিয়ে পালিয়ে যায়। তাৎক্ষণিক পুলিশের তৎপরতায় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মোজাম গাজী অস্ত্র ও হ্যান্ডকাফ উদ্ধার করে পুলিশের কাছে ফিরিয়ে দেন।
জামতলা টেংরা মাদ্রাসা পাড়ায় এ ঘটনার পর থেকে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান বলেন, ‘টেংরার ঘটনায় শার্শা থানায় দুটি মামলা হয়েছে। পুলিশ বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে।’
আরও পড়ুন:
বসতভিটা ফেরত পেতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চায় সাঁওতাল পরিবার








