অষ্টম শ্রেণির জেডিসি (দাখিল) পরীক্ষায় পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া মাদ্রাসা পরীক্ষাকেন্দ্র-১ (শাহাবুদ্দীন ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা) এ নকলে সহায়তা করার অভিযোগে বুধবার (০৮ নভেম্বর) দুই শিক্ষককে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়া, পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে চার পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, ভান্ডারিয়া ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ভিটাবাড়িয়া দারুল মোহাম্মদ আদর্শ বালিকা দাখিল মাদ্রাসার সুপার ও পরীক্ষাকেন্দ্র কমিটির সদস্য মাওলানা হারুন অর রশিদ এবং ১১ নম্বর কক্ষের পরিদর্শক উপজেলার পৈকখালী মোমেনিয়া সিনিয়র (আলিম) মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক (কৃষি) মো. কামরুল ইসলাম।
শাহাবুদ্দিন ফাজিল পরীক্ষাকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের অ্যাকাডেমিক সুপারভাইজার মো. নজরুল ইসলাম জানান, বুধবার দাখিল অষ্টম শ্রেণির বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা চলাকালে মাওলানা হারুন অর রশিদ প্রভাব খাটিয়ে তার মেয়েকে নকল সরবরাহ করতে যান। এ সময় তাকে আটক করা হয়। অন্যদিকে, ১১ নম্বর কক্ষের পরিদর্শক কামরুল ইসলাম এক পরীক্ষার্থীকে নকল সরবরাহ করতে গেলে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে পরীক্ষাকক্ষ থেকে প্রত্যাহার করা হয়।
পরে তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও ভান্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন আক্তার সুমীর কাছে হাজির করা হলে তিনি তাদের প্রত্যেককে ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেন।
পিরোজপুর জেলা ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা নাসির উদ্দিন জানান, মাওলানা হারুন অর রশিদ ভান্ডারিয়া ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদকের পদে আছেন কি না তা তার জানা নেই।








