সারাদেশে যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদার মধ্যদিয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.), মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাত দিবস পালিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে মিলাদ-মাহফিল ও শোভাযাত্রা বের করা হয়।
আমাদের নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, নারায়ণগঞ্জে শোভাযাত্রায় মুসল্লিদের ঢল নামে। শনিবার (২ ডিসেম্বর) সকালে জশনে জুলুস ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন কমিটি ও বাংলাদেশ আহলে সুন্নত ওয়াল জামাত নারারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে নগরীর শীতলক্ষ্যা এলাকা থেকে শোভাযাত্রাটি বের হয়। এতে নেতৃত্ব দেন সৈয়দ মো. বাহাদুর শাহ মোজাদ্দেদী আল আবেদী। শোভাযাত্রাটি নগরীর বঙ্গবন্ধু সড়ক হয়ে চাষাঢ়া ঘুরে টানবাজার হয়ে নিতাইগঞ্জ বাইতুল ইজ্জত জামে মসজিদে গিয়ে শেষ হয়। পরে মিলাদ মাহফিল শেষে দেশ ও জাতির শান্তি কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি জানান, খাগড়াছড়িতে জশনে জুলুছ হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ৮টায় খাগড়াছড়ি কেন্দ্রীয় ঈদগাহে জশনে জুলুসের উদ্বোধন করেন খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. রাশেদুল ইসলাম। আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের আয়োজনে খাগড়াছড়ি শহরের শাপলা চত্বর থেকে জশনে জুলুস শুরু হয়ে পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ঈদগাহে এসে শেষ হয়।
বান্দরবান প্রতিনিধি জানিয়েছেন, বান্দরবানে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে সম্প্রতির মঞ্চে এসে শেষ হয়। পরে কোরআন খতম, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে সম্প্রতির মঞ্চে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বান্দরবান জেলা শাখা আলোচনা সভার আয়োজন করে। এতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক খাজা আহমদ মিয়াজীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বণিক। এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরী, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ইয়াছির আরাফাত, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য শফিকুর রহমান, গাউছিয়া কমিটি বান্দরবানের সভাপতি মো. হোসেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা কর্মচারীসহ জেলা শহরের বিভিন্ন মসজিদের ঈমাম ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।








