নাটোরে সংঘর্ষে দুজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় সিংড়া উপজেলা বিএনপি এবং জেলা আওয়ামী লীগ পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি পালন করেছে। সোমবার সকালে সিংড়ায় বিএনপি এবং বিকালে জেলা আওয়ামী লীগ এই কর্মসূচি পালন করে।
রবিবার সকালে বিএনপি-আ’লীগের কর্মীদের সংঘর্ষে দুজন গুলিবিদ্ধ হন। দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে এ ঘটনার জন্য জেলা বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের অভিযুক্ত করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের গ্রেফতারের আল্টিমেটাম দেয় জেলা ছাত্রলীগ। কিন্তু এ সময়েও কেউ গ্রেফতার না হওয়ায় আবারও ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ঘোষণা করেছে জেলা ছাত্রলীগ। এই সময়ের মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেফতার না করা হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা।
জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক দেওয়ান শাহীন জানান, বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর বাসভবন ও জেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে হামলা, ভাংচুর এবং জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সাবিনা ইয়াছমিন ছবির প্রাণনাশের চেষ্টার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও সমাবেশের আয়োজন করে সিংড়া উপজেলা বিএনপি। সোমবার সকালে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামীম আল রাজীর নেতৃত্বে উপজেলা বিএনপি কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়। এসময় সেখানেই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান মন্টু, সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আলী আজগর খান, শহর বিএনপির সভাপতি দাউদার মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক তায়েজুল ইসলাম এবং থানা বিএনপির সহ-সভাপতি শাহাদত হোসেন।
বক্তারা ওই হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, আর কোনও হামলা মেনে নেওয়া হবে না।
অন্যদিকে, সোমবার বিকালে জেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে শহরে এক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। জেলা ছাত্রলীগ,যুবলীগ,মহিলা যুবলীগ,মহিলা লীগ ও আওয়ামী লীগের নেতারা কর্মসূচিতে অংশ নেন। মিছিলটি জেলা আ’লীগের কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে শহর প্রদক্ষিণ শেষে নাটোর প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করে। এসময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি শামসুল ইসলাম,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোর্তজা আলী বাবলু, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন বিপ্লব, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম মাসুম, নাটোর এনএস কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সাহাদত হোসেন রাজীব এবং সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোহানুর রহমান সুরুজ।
সদর থানার ওসি মশিউর রহমান বলেন, তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আসামি ধরে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগটি সঠিক নয়।








