সংবিধান মেনেই নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। তিনি বলেছেন, ‘নির্বাচনে সেনাবাহিনী থাকবে কিনা তা কমিশনই ঠিক করবে। এটা নিয়ে দাবি তোলা মানে একটা কূট-তর্ক তৈরি করা। নির্বাচন বানচাল করতেই এই দাবি তোলা হচ্ছে।’
শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) কুষ্টিয়ার মিরপুর মুক্ত দিবস উপলক্ষে উপজেলা মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।
হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে সেনাবাহিনী থাকার পরও বিএনপি কারচুপির অভিযোগ তুলেছিল। খালেদা জিয়ার চ্যালেঞ্জ হচ্ছে নির্বাচনের মাধ্যমে খুনিদের ক্ষমতায় নিয়ে আসা। আর আমাদের চ্যালেঞ্জ হচ্ছে খুনিদের হাত থেকে দেশের রাজনীতি, সংসদ, গণতন্ত্র এবং ক্ষমতাকে দূরে রাখা।’
তিনি আরও বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধী, রাজাকার এবং সাম্প্রদায়িকতার বিষবৃক্ষ বিএনপিকে রোপণ করে জেনারেল জিয়াউর রহমান দেশের রাজনীতিতে চার নম্বর মীরজাফর হিসেবে নিজের নাম লিখিয়েছিলেন।’
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (মিরপুর সার্কেল) নূরে আলম সিদ্দিকী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এস এম জামাল আহমেদ, জেলা জাসদের সভাপতি গোলাম মহসিন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার নজরুল করিম, মিরপুর জাসদের সাধারণ সম্পাদক আহাম্মদ আলী প্রমুখ। এর আগে তথ্যমন্ত্রী কুষ্টিয়ার মিরপুরে হানাদার মুক্ত দিবসের এক র্যালিতে অংশ নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর সকাল সাড়ে ৯টায় মিরপুর ছাতিয়ান ইউনিয়নে বেশিনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সুনাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন। এছাড়া সকাল ১০টায় ধলসা বাজার সংলগ্ন নতুন সড়ক নির্মাণ কাজের উদ্ধোধন, সাড়ে ১০টায় ছাতিয়ান কালিতলায় শুভ বিদ্যুতায়ন শেষে সুলতানপুরে যান।








