রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলায় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের পদ থেকে আবারও ১৪ জন্য নেতা পদত্যাগ করেছেন। এ পর্যন্ত তিন দফায় বিলাইছড়ি উপজেলার ২৪ নেতা পদত্যাগ করলেন। বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা। পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির চাপে তারা পদত্যাগে বাধ্য হচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের একাংশ।
বুধবার পৃথক তিনটি প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আওয়ামী লীগের শাখা ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাদের এ পদত্যাগের কথা জানিয়েছেন পদত্যাগী নেতারা। ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে পদত্যাগ করেছেন বলে জানান তারা।
বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষরকারীরা হলেন-উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য দেবব্রত চাকমা, কেংড়াছড়ি ৪ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য নিহার রঞ্জন চাকমা, উপজেলা মহিলা আ.লীগের সদস্য সুমিতা চাকমা, উপজেলা আ,লীগের সদস্য স্বপন চাকমা, কেংড়াছড়ি ৭ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি জ্যোতিময় দেওয়ান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসাংগঠনিক সম্পাদক সুনীল কান্তি চাকমা, উপজেলা শ্রমিক লীগের ভূমি ও আইন বিষয়ক সম্পাদক শান্তিলাল চাকমা, সদস্য শান্তিব্রত চাকমা, উপজেলা কৃষক লীগের সদস্য প্রিয় কুমার চাকমা, আ.লীগের সাধারণ সদস্য (কার্ডধারী) আরেশ চাকমা ও মঞ্জু চাকমা, আ.লীগ সদস্য বিমল চাকমা, বর্ণলাল চাকমা এবং উপজেলা কৃষক লীগের তথ্য ও প্রচার সম্পাদক নির্মল চাকমা।
এ ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম সাহীদুল ইসলাম বলেন, ‘স্থানীয় রাজনৈতিক দলের চাপের কারণে অনেকে পদত্যাগে বাধ্য হচ্ছেন। কিন্তু এক্ষেত্রে আমাদের নিয়ম হলো, যেকোনও সদস্য পদত্যাগপত্র জমা দিলে আমরা তা সভার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিয়ে জেলা কমিটিতে পাঠাবো। তারপর জেলা কমিটির অনুমোদনক্রমে তার পদত্যাগ কার্যকর করতে পারি।’
এ ব্যাপারে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (পিসিজেএসএস) বিলাইছড়ি উপজেলা শাখার তথ্য ও প্রচার সম্পাদক জ্ঞানেন্দু বিকাশ চাকমা বলেন, ‘আওয়ামী লীগের দলীয় কোনও সদস্য পদত্যাগ করছে কিনা সেটা আমরা জানি না। সেটা তাদের দলীয় ব্যাপার। কিন্তু তাদের সদস্য পদত্যাগের ঘটনায় জেএসএসকে দায়ী করা হচ্ছে। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত।’








