‘ছাত্র সংসদ নির্বাচনের জন্য সব বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমন্বয় গড়ে তুলতে হবে। এজন্য একটা কেন্দ্র থেকে আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে। আর এর মাধ্যমে উপাচার্যদের ছাত্র সংসদ নির্বাচন দিতে বাধ্য করা হবে।’
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ছাত্র ফেডারেশন আয়োজিত ‘কেন রাকসু নির্বাচন চাই’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনা সভায় রাকসুর সাবেক সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান একথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস ভবনে বিকাল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনায় ১৯৯০-৯১ মেয়াদে রাবি সিনেটের নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধি সাদাকাত হোসেন খান বাবুল বলেন, ‘শুনলাম, রাকসু নিয়ে কথা বলতে গেলে উপাচার্য নাকি ছাত্র সংগঠনগুলোর নেতাদের পাত্তা দেন না। আমার বোধগম্য হচ্ছে না, কেন উপাচার্য পাত্তা দিবেন না? সেই পরিবেশ তৈরি করতে হবে। পাত্তা দিবে না যাবে কোথায়, ঘরে ঘরে গিয়ে ছাত্র নেতাদের ডেকে আলোচনায় বসতে বাধ্য হবে উপাচার্য। বসতে বাধ্য করতে হবে।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র নেতা ও ঢাকসু আন্দোলন কর্মী সাদিক রেজা বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশে সিনেটে ছাত্র প্রতিনিধিত্বের কথা বলা আছে। ছাত্র প্রতিনিধিদের বাদ দিয়ে সিনেট পূর্ণাঙ্গ হয় না। ছাত্র প্রতিনিধিহীন বিগত ২৭ বছরে অনুষ্ঠিত সব সিনেট অবৈধ।’
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, রাজশাহী গণসংসহতি আন্দোলনের নেতা মুরাদ মোর্শেদ, রাবি বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর সাবেক সাধারণ সম্পাদক দিলীপ রায়, রাবি ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি এ এম শাকিল হোসেন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাবি ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি তাসবির উল ইসলাম কিঞ্জল।








