এ বছর দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় (জেসএসিতে) পাসের হার ৮৮ দশমিক ৩৮ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০ হাজার ৬২ জন।
দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এবার এ বোর্ডের অধীনে ৮টি জেলার মোট ৩ হাজার ১৭৬টি বিদ্যালয়ের ২ লাখ ৩৩ হাজার ৪৯১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ২ লাখ ১ হাজার ৮০৯ জন পরীক্ষার্থী পাস করেছে। এ বোর্ডের শতভাগ পাশ বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৫৮০টি।
সূত্র আরও জানায়, মোট পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে ছাত্রদের চেয়ে ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছে। ৯ হাজার ১০৫ জন ছাত্র এবং ১০ হাজার ৯৫৭ জন ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছে।
এবার ১৩টি বিদ্যালয় থেকে কেউই পাস করতে পারেনি। এ বিদ্যালয়গুলো হলো– এ দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার মারগাঁও আদর্শ জুনিয়র স্কুল, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কালির খামার জুনিয়র স্কুল, নীলফামারীর সদর উপজেলার রামনগর আদর্শ বালিকা বিদ্যা নিকেতন, উত্তর কানিয়াল খাতা জুনিয়র স্কুল, ডোমার উপজেলার শহীদ স্মৃতি জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয়, জলঢাকার গোলামুন্ডা আদর্শ জুনিয়র গালর্স স্কুল, কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার রামরতন আইডিয়াল জুনিয়র গালর্স স্কুল, ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার লাহুচান্দ উচ্চ বিদ্যালয়, ভুতডাঙ্গি জুনিয়র স্কুল, পঞ্চগড়ের সদর উপজেলার মহারাজা দিঘী জুনিয়র হাই স্কুল, দেবীগঞ্জের টেপরিগঞ্জ জুনিয়র বালিকা বিদ্যালয়, উপনচোকি ভাজনী জুনিয়র স্কুল ও বোদা উপজেলার আরজি শিকারপুর বাগানবাড়ী মডেল জুনিয়র হাই স্কুল।
দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তোফাজ্জুর রহমান জানান, এবার গত বছরের তুলনায় ফলাফল কিছুটা খারাপ। সৃজনশীল পদ্ধতির জন্য ফলাফল খারাপ হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কী কারণে এবং কোন কোন বিষয়গুলোতে পরীক্ষার্থীরা খারাপ করেছে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’ তিনি আরও জানান, যেসব স্কুল থেকে কোনও শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি, সেসব বিদ্যালয়কে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হবে। এরপর তাদের জবাবের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।








