পৌনে পাঁচ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে খুলনার মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রতিষ্ঠান বায়োনিক সি ফুডস এক্সপোর্টার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ ছাত্তারকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। রবিবার (৭ জানুয়ারি) দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর আইনজীবী খন্দকার মুজিবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, এম এ ছাত্তারের বিরুদ্ধে মাছ ক্রয়ের ৪ কোটি ৭৫ লাখ ৪৮ হাজার ৬৯০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। দুদক খুলনার উপ-সহকারী পরিচালক মো. মোশারফ হোসেন বাদী হয়ে গত বছরের ২৯ আগস্ট রূপসা থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে তিনি উচ্চ আদালত থেকে ৬ মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে ছিলেন। রবিবার দুপুরে বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। আদালতের বিচারক আব্দুস সালাম তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
অ্যাডভোকেট খন্দকার মুজিবর রহমান আরও জানান, এম এ ছাত্তার মাছ কেনার জন্য রূপালী ব্যাংক খুলনার শামস বিল্ডিং শাখার তৎকালীন উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. আব্দুর রহমানের সঙ্গে যোগসাজসে ৬ কোটি ৭৯ লাখ ২৬ হাজার ৭শ’ টাকা ঋণের আবেদন করেন। এ টাকার মধ্যে তিনি ৭০ শতাংশ অর্থাৎ ৪ কোটি ৭৫ লাখ ৪৮ হাজার ৬৯০ টাকা ঋণ পান। পরবর্তীতে তিনি ওই অর্থ পরিশোধ না করে আত্মসাৎ করেন। দুদক এই ২ জনের নামে মামলা দায়ের করে। ওই মামলায় এম এ সাত্তার উচ্চ আদালত থেকে ৬ মাসের অন্তরবর্তীকালীন জামিনে ছিলেন। আদালতের নির্দেশে তিনি রবিবার খুলনা বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। কিন্তু শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন তাকে।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে দুদক খুলনার পিপি এ্যাডভোকেট খন্দকার মুজিবর রহমান এবং আসামি পক্ষে এ্যাডভোকেট সুজিৎ অধিকারীসহ একাধিক আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন।








