সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় স্ত্রী লুবনা বেগমকে গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে গেছে সদর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক হেলাল মিয়া। বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) বিকালে উপজেলার জানাইয়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। সেখানে চাচার বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছে হেলাল মিয়া। বিশ্বনাথ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ দুলাল আকন্দ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে নিজের পৈত্রিক বাড়ির পরিবর্তে কখনও মামার বাড়ি কখনও শ্বশুর বাড়িতে বসবাস করছিল হেলাল মিয়া। বৃহস্পতিবার দুপুরে হেলাল মিয়া পৈত্রিক বাড়িতে আসেন। এরপর চাচাতো ভাইয়ের ঘরে বসে স্ত্রীকে ফোন করে আসতে বলে সে। স্বামীর ফোন পেয়ে মা-ভাইকে সঙ্গে নিয়ে হেলালের চাচাতো ভাইয়ের বাড়িতে আসেন লুবনা বেগম। কথা বলার একপর্যায়ে হেলাল লুবনাকে চাচাতো ভাইয়ের গরুর ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে তার হাত-মুখ বেঁধে ছুরি দিয়ে গলা কেটে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় সে।
এরপর লুবনা বেগমের আত্মীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বিশ্বনাথ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ দুলাল আকন্দ জানান, প্রায় ১০ বছর আগে উপজেলার সদর ইউনিয়নের জানাইয়া গ্রামের মরহুম জহুর আলীর পুত্র হেলাল মিয়ার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন দেওকলস ইউনিয়নের কাদিপুর গ্রামের ওয়াহিদ আলীর মেয়ে লুবনা বেগম। হেলাল-লুবনার দাম্পত্য জীবনে আল আমিন নামের ৯ বছরের এক পুত্র সন্তান ও নাজিফা বেগম নামের সাড়ে ৩ বছরের এক কন্যা সন্তান রয়েছে।








