গড় আয়ু ও কর্মক্ষমতা বাড়ার যুক্তিতে সরকারি চাকরিতে অবসরের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। দেশের শিক্ষিত বেকার তরুণদের ক্ষেত্রেও এ কথা প্রযোজ্য। এ কারণে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ করা ‘যৌক্তিক ও ন্যায়সংগত’ বলে মনে করেন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদের রাজশাহী অঞ্চলের সদস্যরা।
শনিবার (২৭ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে রাজশাহী নগরীর সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টে সরকারি চাকরির বয়স ৩৫ বছরে উন্নীত করার দাবিতে মানববন্ধন করে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদ। পরে একই দাবিতে র্যালিও বের করা হয়। এতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ থেকে পাস করে বের হওয়া শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আমাদের দেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে দীর্ঘ সেশনজট রয়েছে। এজন্য পড়াশোনা শেষ করতেই বয়স ২৭-২৮ বছর পার হয়ে যায়। ফলে শিক্ষার্থীরা সরকারি চাকরিতে প্রবেশের জন্য গড়ে ২-৩ সময় পান। এই অল্প সময়ে বেশিরভাগের চাকরি হয় না। পরবর্তী সময়ে চাকরিতে আবেদন করতে না পারায় অনেকে বেকার থাকেন। বক্তারা আরও বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স অনেক বেশি। সেই তুলনায় বাংলাদেশে অনেক কম।
রাজশাহী কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী রেদওয়ানুল হকের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন – একই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী সুমন আহমেদ, সেলিম হোসেন, রাজশাহী কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী সুলতানা পারভীন শীলা, রুবেল হোসেন, রাসেল মাহমুদ প্রমুখ। মানববন্ধন শেষে একটি র্যালি বের করেন তারা। র্যালিটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক ও ভবন প্রদক্ষিণ শেষে পদ্মা গার্ডেন এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। এরপর রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি দেন শিক্ষার্থীরা।








