সাতক্ষীরা সীমান্তের ইছামতি ও কালিন্দি নদীর চর থেকে পৃথকভাবে উদ্ধার হওয়া শিশু ও এক নারীর লাশের পরিচয় পাওয়া গেছে। শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) নিহতের পরিবারের সদস্যরা ফেসবুকে লাশের ছবি দেখার পর লাশগুলো শনাক্ত করেছে। দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)কাজী কামাল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
উদ্ধার হওয়া নারী ও শিশুটি হলো ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর থানার যাদবপুর গ্রামের মুছা শেখের স্ত্রী রুবিনা আক্তার (২২) ও তার মেয়ে মুন্নি আক্তার (৪)।
ওসি জানান, লাশ দু’টি উদ্ধারের পর পরিচায় না পাওয়ায় বেওয়ারিশ লাশ হিসাবে সাতক্ষীরা পৌর কবরস্থানে দাফন করা হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশিত হওয়ার পর ছবি দেখে নিহতদের পরিবারের সদস্যরা তাদের শনাক্ত করেন। নিহতের পরিবারের সদস্যরা মরদেহ চাইলে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে লাশ উত্তোলন করে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
পুলিশ জানায়, স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দেবহাটা থানা পুলিশ ১২ ফেব্রুয়ারি বিকালে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার নওয়াপাড়া সীমান্তে বাংলাদেশ অংশ থেকে একটি শিশুর লাশ উদ্ধার করে। এর দুই দিন পর রাত ৮টার দিকে কালিগঞ্জ উপজেলার কালিন্দি নদীর চর থেকে বোরকা পরিহিত এক নারীর লাশ উদ্ধার করে কালিগঞ্জ থানা পুলিশ। লাশ দু’টি পৃথক পৃথক থানা পুলিশ উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। পরে ফেসবুকে ছবি পোস্ট হওয়ার পর ঝিনাইদহ থেকে একটি সাড়া আসে। তারই সূত্র ধরে উক্ত লাশ দুইটির পরিচয় পাওয়া যায়।
এদিকে, গত ১০ ফেব্রুয়ারি মহেশপুর থানায় নিহত শুর পিতা ও নিহত নারীর স্বামী মুছা শেখ একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। তাদের মৃত্যুর রহস্য এখনও উদ্ধার হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, ১২ ফেব্রুয়ারি বিকালে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার নওয়াপাড়া সীমান্তের বাংলাদেশ অংশ থেকে একটি শিশু ও ১৪ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টার দিকে কালিগঞ্জ উপজেলার কালিন্দি নদীর চর থেকে বোরকা পরিহিত এক নারীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।








