প্রতিপক্ষের গুলিতে যুবলীগ নেতা ফরিদুল ইসলাম নিহত হওয়ার ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন তার স্ত্রী। শুক্রবার (২৭ এপ্রিল) মধ্য রাতে স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মুসাকে প্রধান আসামিহত্য করে তিনি মামলাটি দায়ের করেন।
চকবাজার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আরিফ হোসাইন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, ‘মামলায় ৯ জনের নাম উল্লেখ করে আসামি করা হয়। এছাড়া আরও ১০ থেকে ১২ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।’
এর আগে শুক্রবার বেলা তিনটার দিকে নগরীর ডিসি রোডে ডিশ ব্যবসাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের গোলাগুলিতে ফরিদুল ইসলাম নিহত হন।
ঘটনার সময় পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ডিসি রোডে ক্যাবল টিভির (ডিশ অ্যান্টেনা) ব্যবসা করে আসছে কেসিটিএন ক্যাবল নেটওয়ার্ক। স্থানীয় যুবদল কর্মী এমদাদুল হক বাদশাসহ তিনজন যৌথ অংশিদারিত্বে এই ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। দুই/তিন মাস ধরে ওই এলাকায় নতুন করে ক্যাবল ব্যবসা শুরু করতে চাচ্ছেন স্থানীয় পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মুসাসহ আরও কয়েকজন। এ নিয়ে গত কিছু দিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। শুক্রবার (২৭ এপ্রিল) মো. মুসার লোকজন জোর করে ওই এলাকায় ডিশ লাইন টানতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়ান। এসময় গুলিতে যুবলীগ নেতা ফরিদুল ইসলাম নিহত হয়েছেন।
আরও পড়ুন- ডিশ ব্যবসাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, গুলিতে যুবলীগ নেতা নিহত








