যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানির সময় এখন থেকে ৩৮টি পণ্যের মোবাইল স্ক্যানিং বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আর এজন্য ব্যবসায়ীদের স্ক্যানিং বাবদ ফিও দিতে হবে। বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার মোহাম্মদ বেলাল হোসাইন চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
মোবাইল স্ক্যানারের আওতায় থাকা ৩৮টি পণ্যের মধ্যে রয়েছে-চ্যাচিস, কসটিক সোডা, লিকুইড গ্যাস, কাট ফ্লায়ার, পলেস্টার চিপস, সার, স্পন্স আইরোন, ব্লিচিং পাউডার, আ্যকটিভেটেড কার্বোন, চাল, শুকনা মরিচ, কাচা মরিচ, পান, চিকপিস, কুইক লাইম(ক্যালসিয়াম অক্সাইড), লাইম স্টোন(ক্যালসিয়াম কার্বোনেট), কুয়ার্টজ পাউডার, এমএস উইয়ার রড, প্রিন্টেড লেমিনেটেড ফিল্ম, অ্যালুমিনিয়াম ইনগট, নন-এ্যালো আইরোন ইনগট, আর্থক্লাই, কার্বন ব্লাক, আইরোন বিললেট, র-কটোন, জেলাটিন ক্যাপসুল, ফেরো সিলিকেট, অনিয়ন, গার্লিক, জিনজার, হুইট, লেনটিল, স্টোনচিপস, সয়াবিন এক্সট্রাক, র্যাপসিড এক্সট্রাক, এইসডিপিই কমপাউন্ড, পিপি কমপাউন্ড ও এলডিপিই/এলএলডিপিই কমপাউন্ড।
চিঠিতে বলা হয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনসহ বাণিজ্য সহজীকরণের উদ্দেশ্যে এসব পণ্যের স্ক্যানিং বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) আমিনুল ইসলাম ৩৮টি ভারতীয় পণ্যের মোবাইল স্ক্যানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কাস্টমস ও বন্দর সূত্রে জানা যায়, চিঠিতে উল্লিখিত পণ্যগুলোর চালানে বেশি অনিয়ম হয়। এছাড়াও এসব পণ্যে মিথ্যা ঘোষণায় শুল্ককর ফাঁকির ঘটনাও ঘটে। এসব পণ্যে মোবাইল স্ক্যানিং চালুর ফলে পণ্য পাচার রোধ হবে।
বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন বলেন, ‘বেশির ভাগ শিল্প কারখানার জরুরি কাঁচামাল এ বন্দর দিয়ে আমদানি হয়। ব্যবসায়ীরাও চান এসব পণ্য আমদানিতে স্ক্যানিং চালু হোক। তবে এর ফলে লেন-দেনের গতি কমে আসতে পারে।








