বরিশালে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কোনও অভিযোগ পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয় নির্বাচনে সেনাবাহিনী থাকবে না বলেও জানান তিনি।
মঙ্গলবার (৩ জুলাই) সকালে বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে হেলালুদ্দিন রিটার্নিং, সহকারী রিটার্নিং ও পোলিং কর্মকর্তাদের সঙ্গে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার সম্মেলন কক্ষে মতবিনিময় সভা করেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশন সচিব বলেন, প্রতীক বরাদ্দের আগে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা বন্ধ করে সব প্রার্থীর জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরিতে তারা প্রস্তুত আছেন এবং চেষ্টা করছেন। কোনও প্রকার অভিযোগ পেলেই সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কয়েকটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা এবং ইভিএম ব্যবহার করা হবে। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চাই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করে সব দল, সব প্রার্থীর অংশগ্রহণে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন করতে। তাই নির্বাচন কমিশন এবারের সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছে।’
নির্বাচনের দায়িত্বে এবং প্রতিটি কেন্দ্রে দল নিরপেক্ষ ও দক্ষ ব্যক্তিদের প্রিসাইডিং, সহকারী প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার জন্য তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। হেলালুদ্দীন আহমদ আরও বলেন, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার স্পষ্ট করে বলেছেন, বিদেশি কোনও ব্যক্তি বাংলাদেশর নির্বাচন নিয়ে কোনও মন্তব্য করলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।’
স্থানীয় নির্বাচনে সেনাবাহিনী থাকবে না বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা বরিশালে ১০টি কেন্দ্রে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ করার চিন্তা করছি। পাশাপাশি কয়েকটি ভোটকেন্দ্রে আলোচনা সাপেক্ষে সিসি ক্যামেরা বসানোর চিন্তাভাবনাও রয়েছে।’ রিটার্নিং কর্মকর্তা মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং সহায়ক কর্মকর্তা ছাড়াও নির্বাচন অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বেলা ৩টায় সার্কিট হাউসে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে তিনি মতবিনিময় করেন। এতে নির্বাচনের আগে-পরে ও নির্বাচনের দিন যাতে কোনও সহিংসতা না ঘটে তার নির্দেশনা দেন।








