গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষ এবং ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পুলিশ ও এলাকাবাসীর পক্ষে দায়ের করা ২টি মামলায় ৪৭ জনের নাম উল্লেখ করে এক হাজার ৬শ’ শিক্ষার্থী ও স্থানীয়কে আসামি করা হয়েছে। ৪ জুলাই রাতে ও ৫ জুলাই দিনভর গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় শিক্ষার্থী ও গোবরা গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ, মোটরসাইকেলে আগুন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের দোকানে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এসময় অন্তত ৫০ শিক্ষার্থী, পুলিশ ও গ্রামবাসী আহত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে টিয়ার সেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে পুলিশ।
পরে এক সমঝোতা বৈঠকের মাধ্যমে আপাতত পরিস্থিতি পুলিশে রয়েছে, তবে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন।
তিনি আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ফুটবল খেলার সময় পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়া এক ছাত্রীর উদ্দেশ্যে অশালীন মন্তব্য করে বহিরাগত এক যুবক, এরপর এক বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র এ ঘটনার প্রতিবাদ করে। এ নিয়ে শিক্ষার্থী ও গোবরা গ্রামবাসীর মধ্যে দুই দিন ধরে সংঘর্ষ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, পুলিশের কাজে বাধা ও পুলিশকে আহত করার অভিযোগে পুলিশের উপ-পরিদর্শক সুশান্ত কুমার খান ৭শ’ থেকে ৮শ’ গ্রামবাসী ও শিক্ষার্থীদের নামে মামলা দায়ের করেছেন।
অন্যদিকে, শিক্ষর্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের মার্কেটে ব্যাপক ভাঙচুর ও আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে মার্কেট মালিক সাজেদা বেগম ৪৭ জনের নাম উল্লেখ করে ৭-৮শ’ শিক্ষার্থীকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।








