কুমিল্লার কলেজছাত্র শিহাব উদ্দিন অন্তু হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনে মাঠে নেমেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনার সূত্র (ক্লু) খুঁজতে ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও সুরতহাল রিপোর্ট পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি নিহতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে পিবিআই সদস্যরা কথা বলেছেন।
এদিকে, শিহাব উদ্দিন অন্তু হত্যার ঘটনায় বুধবার দুপুরে কুমিল্লা কোতোয়ালী মডেল থানায় রাকিব নামে একজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন তার বাবা হুমায়ূন কবির। এর পর পরই রাকিবসহ আরও কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পিবিআই কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওসমান গণি জানান, শিহাব উদ্দিন অন্তু হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনে তারা কাজ করছেন। রহস্য উদ্ঘাটনে ইতোমধ্যে তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন, সুরতহাল রিপোর্ট পর্যবেক্ষণ ও অন্তুর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছেন।
কুমিল্লা কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি আবু ছালাম মিয়া জানান, শিহাব উদ্দিন অন্তু হত্যার ঘটনায় তার বাবা বাদী হয়ে রাকিব নামে একজনকে প্রধান আসামি করে মামলা করেছেন। এতে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে আরও কয়েকজনকে। রাকিবকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ছাড়া, সন্দেহ হওয়ায় আটক করা হয়েছে আরও কয়েকজনকে। তিনি আরও বলেন, ‘প্রেমঘটিত কারণে অন্তুকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। তবে এর পেছনে অন্য কোনও কারণ আছে কিনা তাও তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।’
মঙ্গলবার (১০ জুলাই) রাত ৮টায় ধর্মসাগর পাড় এলাকায় ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয় কলেজছাত্র শিহাব উদ্দিন অন্তুকে। সে নগরীর রেইসকোর্স এলাকার হুমায়ূন কবিরের ছেলে এবং অজিতগুহ কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তাদের গ্রামের বাড়ি বুড়িচং উপজেলার ইছাপুরায়। তার মা শিরিন আক্তার কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সিনিয়র নার্স।








