১১-২৪ জুলাই পর্যন্ত রাজশাহী সিটি থেকে ৪৩ জন নেতাকর্মী ও সমর্থককে গ্রেফতারের অভিযোগ করেছে বিএনপি। মঙ্গলবার (২৪ জুলাই) দুপুরে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটানিং কর্মকর্তার কাছে এ অভিযোগ দায়ের করেন বিএনপির মেয়র প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট তোফাজ্জল হোসেন।
তোফাজ্জল হোসেন জানান, ১১-২৪ জুলাই পর্যন্ত তাদের ৪৩ জন নেতাকর্মী ও সমর্থককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জুলাই দিলদার হোসেন জনি ও বোরহান উদ্দীন লিটনকে, ১২ জুলাই মেরাজ, নুরুল ইসলাম ও আমিনুল ইসলামকে, ১৮ জুলাই শের আলী (পোলিং এজেন্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত) ও আব্দুস সেলিমকে, ১৯ জুলাই সেলিম, ইয়াসিন আলী ও পিয়াল হায়দার আবুকে, ২১ জুলাই জয়নুল আবেদীন শিবলী, মইনুল হক হারু, হাফিজুল ইসলাম আপেল, খন্দকার ওয়ায়েশ করণী ডায়মন্ড, গোলাম নবী গোলাপ ও ইফতিয়ার মাহমুদ বাবুকে, ২২ জুলাই জাহাঙ্গীর আলম লাবলু, শামীম আহমেদ, মতিউর রহমান মন্টু ও নুরনবী মুক্তারকে, ২৩ জুলাই ইব্রাহিম হোসেন বাচ্চু, রানা, ডোমেন, সাজ্জাদ আলী, মারুফ, আবুল কাশেম, আল আমিন বিদ্যুৎ, মফিজ উদ্দীন, শাহরিয়ার হোসেন নয়ন, জুয়েল, টিপু, সাবদুল, সাইফুল, ইকবাল, রাহাত হোসেন, বাবু, মনিরুল ইসলাম মনা, হাসনাত, শাইরুল, পলাশ, তুষার, ফজলুল হক ও টিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
এ ব্যাপারে বিএনপির মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল বলেন, ‘বিএনপির গণজোয়ার দেখে সরকার ভীত। একারণে তারা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে দিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করাচ্ছে। রাজশাহীতে এখন আর নির্বাচনি পরিবেশ নাই। পরিবেশ নষ্ট করার মূলে সরকার দলীয় মেয়র প্রার্থী।’
বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু বলেন, ‘আওয়ামী লীগ মেয়র প্রার্থীর নির্দেশে এপর্যন্ত আমাদের ৪৩ জন নেতাকর্মীকে বিনা মামলা ও গ্রেফতারি পরোয়ানায় গ্রেফতার করা হয়েছে।’
এ ব্যাপারে রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ও সিনিয়র সহকারী কমিশনার (সদর) ইফতে খায়ের আলম বলেন, ‘অনেক আগে থেকে মাদক, নাশকতা, জঙ্গিসহ বিভিন্ন বিষয়ে আমাদের নিয়মিত অভিযান চলছে। সিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপির নেতাকর্মী গ্রেফতার হচ্ছে না। আমলযোগ্য অপরাধ পাওয়ার পর আসামিদের গ্রেফতার করে আইনের আশ্রয়ে আনা হচ্ছে।’








