রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) নির্বাচনে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিজিবি ও র্যাব মোতায়েন করা হয়েছে। একইসঙ্গে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় মাঠে রয়েছে পুলিশ ও আনসার বাহিনী।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শামীম মাসুদ আল ইফতেখার জানান, ‘শনিবার (২৮ জুলাই) সকাল থেকে বিজিবি সদস্যরা নগরীর বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তার জন্য টহল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সার্বিক দায়িত্ব পালন শুরু করেছে। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান নিয়ে নির্বাচনের সার্বিক নিরাপত্তার দিকে সতর্ক নজর রাখছে। আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত তারা মাঠে থাকবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ১৯ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫ প্লাটুন নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে। এছাড়াও চার প্লাটুন রিজার্ভ রাখা হয়েছে। তারা বিশেষ প্রয়োজনে বের হবে।’
এদিকে র্যাব-৫ (সিও) লেফটেনেন্টে কর্নেল মাহাবুবুল আলম বলেন, ‘নির্বাচনকে সামনে রেখে সাড়ে ৪০০ র্যাব মাঠে থাকবে। প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে র্যাবের একটি করে টিম অবস্থান করবে। সেই সঙ্গে বাকিরা টহল অবস্থায় থাকবে।’
রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ও সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার (সদর) ইফতে খায়ের আলম বলেন, ‘জননিরাপত্তার দিকে লক্ষ্য রেখে ৩ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য নির্বাচনি মাঠে থাকছে। এছাড়াও পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি আনসার বাহিনী কাজ করবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে যাতে কোনও রকম নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গ না হয় সে বিষয়ে সবাত্মক সতর্ক অবস্থান থাকছে। এছাড়াও বিভিন্ন থানাগুলোকে এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে এবং দিনে-রাতে পুলিশ কাজ করে চলেছে।’
রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এবার ১৩৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ১১৪টিকেই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে নির্বাচন অফিস এই কেন্দ্রগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে দেখছে। এজন্য কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। ৩০ জুলাই সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য ভোটগ্রহণের সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন- ৯০ শতাংশ প্রিজাইডিং অফিসার আ. লীগ ঘরানার, নাকচ লিটনের








