বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী ইকবাল হোসেন অভিযোগ করে বলেছেন, ‘প্রশাসন একজনের পক্ষে রয়েছে। কারণ তিনি পথসভা করলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।’ রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় নগরীর অক্সফোর্ড মিশন রোডে নির্বাচনি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের সঙ্গে যখন সর্বশেষ কথা বলেছি তখন তাকে অসহায় মনে হয়েছে। তিনি অসহায়ত্ব প্রকাশও করেছেন। প্রশাসন ইসির কথা শুনছে না। এখন পর্যন্ত আমার তিন থেকে চারজন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার রাতে পুলিশ আমার বাসায়ও এসেছিল। কিন্তু আমার দারোয়ানের সঙ্গে কিছুক্ষণ বাকবিতণ্ডার পর তারা চলে যায় সেখান থেকে। এটি একটি প্রহসনের নির্বাচন হতে যাচ্ছে।’
তাপস বলেন, ‘প্রশাসন একজনের পক্ষে রয়েছে। কারণ তিনি পথসভা করলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। তবু আমরা শেষ পর্যন্ত নির্বাচনি মাঠে থাকবো।’ সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি অধ্যাপক মহসিন উল ইসলাম হাবুল উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, ‘বরিশালে প্রচুর বহিরাগত রয়েছে। আওয়ামী লীগের প্রার্থী প্রচুর লোক নিয়ে জনসভা করেছেন। এদের মধ্যে অনেককে জিজ্ঞাসা করা হলে তারা বলেছেন-তারা এসেছেন পটুয়াখালী থেকে। এই বহিরাগতরাই কেন্দ্রগুলোতে থাকবে। সাধারণ মানুষ ভোট দিতে পারবে না। বহিরাগতরাই ভোট দিয়ে দেবে।’
তিনি আরও বলেন, জাতীয় পার্টির ৫ জন পোলিং এজেন্টকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া ভোটকেন্দ্রে আওয়ামী লীগের কর্মীরা অন্য কোনও প্রার্থীর পোস্টার লাগাতে দিচ্ছে না। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ৩০ জুলাই বহিরাগতরা ভোট কারচুপি করার পাঁয়তারা করছেন। বহিরাগতরা ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ভোট দেবে এমন ষড়যন্ত্র হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি নির্বাচনী মাঠে থাকবেন বলে জানিয়েছেন। ২১ নম্বর ওয়ার্ডের গোরস্তান রোডের আ. মান্নান মাদ্রসায় সকাল সাড়ে ৮টায় ভোট দেবেন তিনি।
দল থেকে বহিস্কারের পরও নির্বাচনে প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, ‘আমার কাছে মাত্র দুইটি চিঠি আছে। একটি নমিনেশন, অপরটি দলীয় প্রতীক বরাদ্দের চিঠি। বহিষ্কার করার কথা শুনলেও তিনি কোনও কাগজ হাতে পাননি।








