নাব্য সংকটের কারণে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ফেরি চলাচল ব্যহত হচ্ছে। বর্তমানে নৌরুটে ৬টি কে-টাইপ ও ৩টি মিডিয়াম ফেরি দিয়ে হালকা, ছোট যাত্রবাহী গাড়িগুলোকে পারাপার করা হচ্ছে। ফেরি চলাচল ব্যহত হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন যাত্রীরা।
রবিবার (১২ আগস্ট) সকাল থেকে ৯টি ফেরি শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে চলাচল করছে। ফেরি চলাচলের জন্য উপযোগী পানির গভীরতা না থাকায় সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন ফেরি চালকরা। এর আগে শনিবার বিকালে লৌহজং চ্যানেলে নাব্য সংকটের কারণে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। এরপর রাত ১০টার দিকে ৪টি কে-টাইপ ফেরি চলাচল শুরু করে।
বিআইডব্লিউটিসি’র শিমুলিয়া ঘাটের উপ-মহাব্যবস্থাপক শাহ খালেদ নেওয়াজ জানান, বিকল্প চ্যানেলে পানির গভীরতা আছে ৪-৫ ফুটের মতো কিন্তু ফেরি চালাতে প্রয়োজন ৭ ফুটের মতো। ১২ জুন থেকে ব্যবহার করে আসা এই চ্যানেলটিতে বর্তমানে পলি জমে নাব্য সংকট দেখা দিয়েছে। এর কারণে আগের সরাসরি মূল চ্যানেল দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। তবে ঘাট থেকে হালকা, ছোট যাত্রীবাহী গাড়িগুলোকে পার করে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া পণ্যবাহী ট্রাক ও ভারী যানবাহনগুলোকে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফেরিঘাট ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। এরপরও ঘাট এলাকায় ২০০ যানবাহন পারের অপেক্ষায় আছে।
তিনি আরও জানান, নাব্য সংকট নিরসনে ড্রেজিং চলছে চ্যানেলে। দুইদিন সময় নেওয়া হয়েছে ফেরি চলাচল উপযোগী করতে।
নির্বাহী প্রকৌশোলী (ড্রেজিং) এ এসএম আরেফিন জানান, বিকল্প চ্যানেল ছাড়াও সরাসরি মূল চ্যানেলেও ৭টি ড্রেজার কাজ করছে। দুইটি রুট দিয়ে ফেরি চলাচল করছে। পলি অপসারণ করা হলেও চ্যানেলের মুখ থেকে পলি কেটে সরানো যাচ্ছে না। ড্রেজিং করে চ্যানেল ১৩ ফুট করলেও আশেপাশে থেকে মাটি ভেঙে পড়ছে।








