সরকারি নির্দেশ অমান্য করে লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করায় দুটি লঞ্চের দুই সুপারভাইজারকে তিন দিন করে কারাদণ্ড এবং জনপ্রতি দুই শত টাকা করে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। রবিবার রাতে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিপন বিশ্বাস ও মোজাম্মেল হক চৌধুরী পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের ওই দণ্ড দেন।
দণ্ডিতরা হলেন বরিশাল নদী বন্দরে দায়িত্বরত এমভি পারাবাত লঞ্চের সুপারভাইজার মো. সেলিম আহম্মদ (৪২) ও এমভি টিপু লঞ্চের দায়িত্বরত সুপারভাইজার লিটু দাস (৪৫)। দণ্ডপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে সরকারি নির্দেশ অমান্য করা, সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে অশোভন আচরণ, লঞ্চের টিকিট কালোবাজারিদের সঙ্গে সখ্যতাসহ নানা অভিযোগ ছিল।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক মোজাম্মেল হক চৌধুরী জানান, ‘বিভিন্ন সময়ে এই দুই ব্যক্তি সরকারের বিভিন্ন নির্দেশনা অমান্য করে আসছিল। তাই পেনাল কোড ১৮৮ ধারা মোতাবেক তাদের এই দণ্ড দেওয়া হয়।’
বরিশাল নৌ পুলিশের পরিদর্শক আবু তাহের জানান, লঞ্চ ছাড়ার অনেক আগেই এমভি পারাবাত ও টিপু লঞ্চে ধারণ ক্ষমতার কয়েকগুণ বেশি যাত্রী ওঠানো হয়। লঞ্চের ছাদ এমনকি প্রথম শ্রেণির যাত্রীদের কেবিনের সামনের স্থানও দখল করে নেন যাত্রীরা। তারপরও লঞ্চ দু’টির ঘাট সুপারভাইজার সেলিম হোসেন ও লিটু দাসের নির্দেশে আরও যাত্রী ওঠানো হয়। বিষয়টি লঞ্চঘাটে থাকা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্টেট মোজাম্মেল হক চৌধুরীর নজরে এলে ভ্রাম্যমাণ আদালত লঞ্চ দুটির সুপারভাইজারকে দণ্ডি দেন। পরে দণ্ডিতদের কারাগারে পাঠানো হয়।
আরও পড়ুন- দ্বিগুণ ভাড়া দিয়ে রাজধানীতে ফিরছে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ








