বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার ও নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান মনিরসহ বিএনপির ৪৫ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে নাশকতা ও বিস্ফোরক আইনে আরও একটি মামলা করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানায় মঙ্গলবার রাতে মামলাটি দায়ের করা হয় বলে জানিয়েছেন মামলার প্রধান আসামি তৈমূর আলম খন্দকার। এর আগে গত সোমবার রাতে রূপগঞ্জ থানায় তাদের বিরুদ্ধে নাশকতার অভিযোগে আরেকটি মামলা করা হয়েছিল। দুটি মামলা একই ধারায় রেকর্ড করা হয়েছে।
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান মামলা রেকর্ডের কথা নিশ্চিত করে বলেন, ‘বিএনপির নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা দুটি বিশেষ ক্ষমতা আইন ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে করা হয়েছে। দুটির মধ্যে একটি মামলার বাদী এস আই মোস্তফা কামাল এবং অপর মামলার বাদী এস আই নাদিরুজ্জামান। মঙ্গলবার রাতে মামলার আসামি ভুলতা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্বাস উদ্দিনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।’
এই মামলাকে সরকারের নির্বাচনি ষড়যন্ত্র উল্লেখ করে তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, ‘দেশের এমপিরা এখন থানার ওসির দায়িত্ব নিয়েছেন। তারা নিজেরাই থানা পুলিশকে নিয়ন্ত্রণ করছেন। আগামী নির্বাচনে যাতে বিএনপি অংশগ্রহণ করতে না পারে সেজন্য এখন থেকেই আমাদের দলের নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। এরপর তারা আমাদেরকে গ্রেফতার করবে এবং রিমান্ড বানিজ্য করবে। এটাই এই সরকারের মূল উদ্দেশ্য।’
তৈমূর আলম আরও বলেন, ‘মামলায় আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে, আমি নাকি গতকাল কর্মীদের নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা ও ককটেল নিক্ষেপ করে পালিয়ে গেছি। এর আগের মামলাটিও একই অভিযোগে করা হয়েছে। অথচ ঘটনার দিনই আমি রূপগঞ্জে ছিলাম না।’








