নিজেদের পদোন্নতির আবেদনে সভাপতির স্বাক্ষর জাল করেছেন বলে নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া ডিগ্রি কলেজের দুই প্রভাষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় ওই দুই প্রভাষককে শোকজ করেছেন সভাপতি। কলেজের অধ্যক্ষ পরিমল কুমার এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
অধ্যক্ষ পরিমল কুমার জানান, কলেজের ব্যবস্থাপনা বিষয়ের প্রভাষক তৃপ্তি রানী দত্ত এবং সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক প্রাণবেন্দ্র নাথ মৈত্র ২৬ বছর থেকে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সম্প্রতি সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতির আবেদন করেন তারা। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কলেজে জমা দেওয়ার পর একটি কাগজে সভাপতি তথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার পারভেজের স্বাক্ষর জাল করার সত্যতা পাওয়া যায়। বিষয়টি জানার পর অভিযুক্ত দু’জনকে সাত দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন সভাপতি।
এক প্রশ্নের জবাবে পরিমল কুমার জানান, আবেদনের সব কাগজে সভাপতির প্রকৃত স্বাক্ষর থাকলেও একটি করে কাগজে স্বাক্ষরের স্ক্যান পাওয়া গেছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত তৃপ্তি রানী দত্ত এবং মানবেন্দ্র নাথ মৈত্র অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সব কাগজ জমা দেওয়ার সময় দেখা যায় যে একটি কাগজে ভুলবশত সভাপতির স্বাক্ষর নেওয়া হয় নাই। ওই সময়ে সভাপতি ছুটিতে ভারতে অবস্থান করছিলেন। এদিকে আবেদন জমা দেওয়ার সময় ফুরিয়ে আসছিল। ভালো-মন্দ চিন্তা না করে সময়ের মধ্যে আবেদন জমা দেওয়ার কথা চিন্তা করে সভাপতির স্বাক্ষর স্ক্যান করার পর ওই কাগজে সংযুক্ত করা হয়েছিল।
তবে বিষয়টি ভুল হয়েছে বলে স্বীকার করে অভিযুক্ত দুই শিক্ষক তাদের ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার পারভেজ জানান, তিনি ১৫ দিনের ছুটিতে ভারতে অবস্থান করেছেন- একথা সত্য। তবে স্বাক্ষর জাল করা বেআইনি।
আনোয়ার পারভেজ আরও বলেণ, ‘১১ সেপ্টেম্বর শোকজ করা হয়েছে। ৭ দিনের মধ্যে শোকজের জবাব পাওয়ার পর এ ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’








