তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা, সেন্টার ফর সোসাল অ্যাকটিভিজমের সভাপতি সুলতানা কামাল বলেছেন, ‘একটি স্বাধীন দেশে জন্মের ভিত্তিতে কাউকে অবহেলা বা অচ্ছুৎ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। কিন্তু স্বাধীনতার ৪৮ বছর পেরিয়ে গেলেও এদেশের দলিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী তাদের সাংবিধানিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। এখান থেকে বেরিয়ে আসতে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে জোরালো দাবি তুলতে হবে।
রবিবার দুপুরে যশোরের বাঁচতে শেখা নামে একটি সংস্থার কনফারেন্স রুমে ‘দলিত ও আদিবাসী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষে জাতীয় পর্যায়ে নাগরিক প্লাটফর্ম গঠন’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সুলতানা কামাল এসব কথা বলেন।
সুলতানা কামাল বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্য বিলোপ আইন করার দাবি জানাচ্ছি। কিন্তু সরকার আগ্রহী হলেও অদৃশ্য কারণে তা বার বার পিছিয়ে যাচ্ছে। সর্বশেষ আইনমন্ত্রী আমাদের জানিয়েছিলেন আগামী সংসদ অধিবেশনে আইনটি পাস হবে। কিন্তু এখনও তা হয়নি। '
তিনি বলেন,‘বর্তমান সরকার নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি দাবি করে। দুঃখজনক হলো, তারা আমাদের কথা না শুনলেও কিন্তু হেফাজতের দাবি মেনে নেয়। কেননা হেফাজতের শক্তিতে তারা ভীত। সেক্ষেত্রে দাবি আদায়ে আমাদেরও শক্তি সঞ্চয় করতে হবে। শক্তি বলতে জ্বালাও পোড়াও নয়, বেশিসংখ্যক মানুষের মাঝে আমাদের দাবির সপক্ষে বক্তব্য তুলে ধরতে হবে। ব্যাপক জনমত গড়ে তুলতে হবে।’
সংলাপে যশোর, সাতক্ষীরা, খুলনা ও কুষ্টিয়ায় দলিত ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠনের কর্তাব্যক্তিরা অংশ নেন।








